📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের নতুন চার্জ প্রস্তাবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানি খরচ বৃদ্ধির শঙ্কা

ভারতের নতুন চার্জ প্রস্তাবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানি খরচ বৃদ্ধির শঙ্কা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারত প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানিতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি চার্জ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে, যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানি খরচ বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নতুন এ চার্জ কার্যকরের আগে এনভিভিএন ও পিডিবির মধ্যে এসএনএ চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে নতুন চার্জ আরোপের প্রস্তাব করেছে দেশটি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি অতিরিক্ত চার্জ দাবি করেছে ভারত। এই চার্জ কার্যকরের ফলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ আমদানি খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভারত প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানিতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি চার্জ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে
  • 📌 বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন চার্জ কার্যকরের আগে এসএনএ চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে
  • 📌 বিদ্যুৎ আমদানির মোট ক্ষমতা রয়েছে দুই হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট
  • 📌 এনভিভিএন ও পিডিবির মধ্যে এসএনএ চুক্তি সম্পন্ন হলে লেনদেন সহজ হবে

📰 বিস্তারিত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। তবে সম্প্রতি ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানিতে ০.০০৫ ভারতীয় রুপি চার্জ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। এই চার্জ কার্যকরের ফলে বিদ্যুৎ আমদানির খরচ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিইআরসি) আন্তসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য প্রতি ইউনিটে প্রথমে ০.০১ ভারতীয় রুপি চার্জ আরোপের প্রস্তাব করেছিল। পরবর্তীতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) আবেদনের পর তা কমিয়ে ০.০০৫ রুপিতে নির্ধারণ করা হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্যে গ্রিড-সংক্রান্ত চার্জ নিষ্পত্তি সহজ করতে ভারতের সিইআরসি এসএনএ ব্যবস্থা চালু করেছে। ভারত থেকে নেপাল ও ভুটানেও একই হারে এসএনএ চার্জ নেওয়া হচ্ছে।

"এসএনএ চার্জ বিদ্যুতের কোনো দাম নয়; এটি আন্তর্দেশীয় বিদ্যুৎ–বাণিজ্যের গ্রিড অপারেশন ও আন্তর্দেশীয় বিদ্যুৎ লেনদেন নিষ্পত্তির খরচ। এতে খুব বেশি খরচ বাড়বে না। আর এনভিভিএনের সঙ্গে চুক্তি করার কারণে লেনদেন সহজ হয়ে যাবে।"

বর্তমানে বাংলাদেশ ভারত থেকে মোট দুই হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে এনটিপিসির কেন্দ্র থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি করপোরেশন (ডিভিসি) থেকে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি করপোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে বেসরকারি খাত থেকে সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার একটি কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট এবং সেম্বকর্প থেকে সরাসরি আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত ও বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিপিডিবি কর্মকর্তাগণ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০.০০৫ ভারতীয় রুপি, দুই হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖