📌 কৃষিসচিব মো. সেলিম খান জানিয়েছেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং সরকার কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা চালিয়ে যাচ্ছে। রংপুরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি সারের সুষ্ঠু সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই এবং সরকারের কাছে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘কৃষকের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।’ রোববার রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং সরকারের কাছে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানান কৃষিসচিব মো. সেলিম খান
- 📌 কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সারের সুষ্ঠু সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে
- 📌 কৃষক যেন হয়রানি ছাড়াই প্রয়োজনীয় সার পান, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখতে হবে
- 📌 সরকার কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারে ভর্তুকি প্রদানসহ বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে
- 📌 অতিরিক্ত সার ব্যবহারে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি মাটির গুণাগুণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে কৃষকদের সুষম সার ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি
📰 বিস্তারিত
কৃষিসচিব মো. সেলিম খান বলেন, ‘কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সারে ভর্তুকি প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের আয় বাড়ানো এবং কৃষিকে আরও লাভজনক করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ফসলের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় ও সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ করতে হবে।’
সারের বাজারে অনিয়মের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে সচিব বলেন, ‘কোনো অসাধু সার ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধভাবে সার মজুত বা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির মাধ্যমে কৃষকদের হয়রানি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সভা শেষে কৃষিসচিব রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ঘনিরামপুর গ্রামের কৃষক অহিদুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটি ভিত্তিক ভার্মিকম্পোস্ট খামার পরিদর্শন করেন। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমসহ রংপুর বিভাগের সার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।
‘কৃষক যেন হয়রানি ছাড়াই প্রয়োজনীয় সার পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখতে হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর, তারাগঞ্জ উপজেলা, ঘনিরামপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষিসচিব মো. সেলিম খান
- 👥 অন্যান্য ব্যক্তি: মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার, ১৩ লাখ টাকা, ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!