📌 কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে দেশে ৬ হাজার মাইক্রো ইকোনমিক জোনের প্রস্তাব দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান এআরডি। স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমাতে চায় তারা। রাজধানীর ডিআরইউতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির সিইও শামসুন্নাহার মুন্নি এ পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন
কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দেশে ৬ হাজার মাইক্রো ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার একটি মহাপরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আর্কিটেকচার রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এআরডি)। রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির সিইও ও স্থপতি শামসুন্নাহার মুন্নি এ পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশে ৬ হাজার মাইক্রো ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে এআরডি
- 📌 স্থানীয় উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি
- 📌 প্রতি জোনে গড়ে ১০০ জন উদ্যোক্তা যুক্ত হলে মোট ৬ লাখ উদ্যোক্তার জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে
- 📌 পরিকল্পনায় ৩৩৩ ধরনের ব্যবসা ও আয়মুখী কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে
- 📌 গাজীপুরে ইতোমধ্যে একটি মডেল প্রকল্প চালু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে দেশজুড়ে ৬ হাজার মাইক্রো ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান এআরডি। প্রতিষ্ঠানটির সিইও শামসুন্নাহার মুন্নি জানান, এটি শুধু একটি প্রকল্প নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম তৈরির উদ্যোগ। স্থানীয় মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা স্থানীয়ভাবেই উৎপাদন ও সরবরাহের মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা করা এর মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শামসুন্নাহার মুন্নি বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্য স্থানীয়ভাবে উৎপাদন ও ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা লোকালি এবং গ্লোবালি কাজ করব। স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যাগুলো স্থানীয়ভাবেই সমাধান করতে পারলে দেশের বড় অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
প্রস্তাবিত মাইক্রো ইকোনমিক জোনগুলোতে মানুষ শুধু ভোক্তা নয়, উৎপাদক হিসেবেও যুক্ত হবে বলে জানান মুন্নি। তিনি উল্লেখ করেন, একজন কৃষকের উৎপাদিত পণ্য অন্য উদ্যোক্তা ব্যবহার করবেন, আবার অন্য উদ্যোক্তার তৈরি পণ্য স্থানীয় মানুষ ব্যবহার করবেন। এভাবে স্থানীয় কৃষক, কারিগর, উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত জোনগুলোতে কোল্ড স্টোরেজ, অ্যাগ্রো প্রসেসিং সেন্টার, ড্রায়ার ইউনিট, ফুড প্রসেসিং ইউনিট, পরিবেশবান্ধব আবাসন, উদ্যোক্তাদের ওয়ার্ক স্পেস, উৎপাদন সুবিধা, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, স্টোরেজ, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা থাকবে। মুন্নি বলেন, এটি কোনো একক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প নয়; দেশের সবাই মিলে এটি বাস্তবায়ন করতে পারে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামসুন্নাহার মুন্নি (এআরডির সিইও ও স্থপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ হাজার জোন, ৬ লাখ উদ্যোক্তা, ৩৩৩ ধরনের ব্যবসা
"আমরা লোকালি এবং গ্লোবালি কাজ করব। স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যাগুলো স্থানীয়ভাবেই সমাধান করতে পারলে দেশের বড় অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।"
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!