📌 বগুড়া-জামালপুর সীমান্তের যমুনা নদীর চরে নির্মাণাধীন ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগামী বছরের জুনে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প কর্মকর্তারা। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার উত্তর শংকরপুর গ্রামসংলগ্ন যমুনা নদীর চর কাইজারে নির্মাণাধীন দেশের বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আগামী বছরের জুনে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে। প্রকল্পটির নাম ‘মাদারগঞ্জ ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প’। প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রটির জন্য নির্ধারিত ৩৪৮ একরের বেশি খাসজমিতে ইতোমধ্যেই ভূমি উন্নয়ন, মাটি ভরাট ও সৌর প্যানেল স্থাপনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্মাণাধীন প্রকল্পটির ক্ষমতা ১০০ মেগাওয়াট, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে যোগ হবে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎস
- 📌 প্রকল্পটির অবস্থান বগুড়া-জামালপুর সীমান্তের যমুনা নদীর চর কাইজারে, যার আয়তন ৩৪৮ একরের বেশি
- 📌 প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- 📌 উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য ঘাটাইল ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 প্রকল্পটির উপ-প্রকল্প পরিচালক হুমায়ুন আকতার জানান, নির্মাণকাজের বড় অংশ শেষ হলেও প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতার কারণে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার বোহাইল ইউনিয়ন এবং জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার জোরখালী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী যমুনা নদীর চর কাইজারে নির্মাণাধীন ‘মাদারগঞ্জ ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প’টির কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। প্রকল্প কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রটির জন্য নির্ধারিত ৩৪৮ একরের বেশি খাসজমিতে ইতোমধ্যেই ভূমি উন্নয়ন, মাটি ভরাট এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে বাঁধ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্পটির উপ-প্রকল্প পরিচালক হুমায়ুন আকতার জানান, নির্মাণকাজের প্রায় ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। তবে প্রশাসনিক ও আর্থিক কিছু জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। আগামী বছরের জুনে কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য ঘাটাইল ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র পর্যন্ত প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইতোমধ্যেই সৌর প্যানেল স্থাপনের খুঁটি ও ফ্রেম বসানোর প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৈদ্যুতিক অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে।
"নির্মাণকাজের বড় একটি অংশ শেষ হয়েছে। তবে আর্থিক ও প্রশাসনিক কিছু জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আগামী ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করে একই মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যমুনা নদীর চর কাইজার, বগুড়া-জামালপুর সীমান্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন আকতার (উপ-প্রকল্প পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ (মেগাওয়াট), ৩৪৮ (একর), ৪৫ (কিলোমিটার), ১৭০ (মিলিয়ন মার্কিন ডলার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!