📌 মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দুই রাতে আটটি মন্দির ও ঠাকুরঘরে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা পিতলের মূর্তি, পিতল ও কাঁসার বাসনপত্র এবং প্রণামির বাক্সে থাকা টাকা নিয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় দুই রাতে আটটি মন্দির ও ঠাকুরঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা পিতলের মূর্তি, পিতল ও কাঁসার বাসনপত্র এবং প্রণামির বাক্সে থাকা নগদ টাকা নিয়ে গেছে। স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩ সেপ্টেম্বর ও ৫ সেপ্টেম্বর রাতে** মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের **আটটি মন্দির ও ঠাকুরঘরে** চুরির ঘটনা ঘটে।
- 📌 চোরেরা **পিতলের মূর্তি, পিতল ও কাঁসার বাসনপত্র** এবং **প্রণামির বাক্সে থাকা নগদ টাকা** নিয়ে যায়।
- 📌 **পাত্রকুল শ্রীশ্রী শিববাড়ি পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ জীবন দেব** বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
- 📌 **শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক** জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোরদের গ্রেপ্তারের জন্য তৎপর।
- 📌 **মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি**।
📰 বিস্তারিত
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের ভীমসী, বাবুর বাজার, শাসন ও ভুনবীর গ্রামের বিভিন্ন মন্দির ও ঠাকুরঘরে দু’রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। প্রথম রাতে **৩ সেপ্টেম্বর রাতে** ভুনবীর ইউনিয়নের ভীমসী বাজার ও আশপাশের একটি সর্বজনীন ও তিনটি পারিবারিক মন্দিরে চুরি হয়। এরপর **৫ সেপ্টেম্বর রাতে** একই ইউনিয়নের শাসন গ্রামের শ্রীশ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির, শ্রী মানবেন্দ্র ভট্টাচার্যের বাড়ির ঠাকুরঘর, নারায়ণ ভট্টাচার্যের বাড়ির ঠাকুরঘর ও সুধা ভট্টাচার্যের বাড়ির ঠাকুরঘরে চুরি হয়। এ ঘটনায় একটি সর্বজনীন ও তিনটি পারিবারিক মন্দির জড়িত ছিল।
চোরেরা মন্দির ও ঠাকুরঘরে ঢুকে প্রণামির বাক্স ভেঙে নগদ টাকা নিয়ে যায়। এছাড়া পূজায় ব্যবহৃত পিতল ও কাঁসার বাসনপত্র এবং পিতলের তৈরি মূর্তিও চুরি হয়েছে। বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের ভুনবীর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ দেব বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার ভোররাতের কোনো একসময় এসব চুরির ঘটনা ঘটে। পারিবারিক ও সর্বজনীন মিলিয়ে দুই রাতে মোট আটটি মন্দির ও ঠাকুরঘরে চুরি হয়েছে।’
পাত্রকুল শ্রীশ্রী শিববাড়ি পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ জীবন দেব উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘চুরির ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। মানুষের মধ্যে যাতে আতঙ্ক আরও না ছড়ায়, সে জন্য দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’
শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক জানান, ‘শুক্রবার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আজ আবার ঘটনাস্থলে যাওয়া হচ্ছে। চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। তবে এখনো মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।’
"বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার ভোররাতের কোনো একসময় এসব চুরির ঘটনা ঘটে। পারিবারিক ও সর্বজনীন মিলিয়ে দুই রাতে মোট আটটি মন্দির ও ঠাকুরঘরে চুরি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল উপজেলা, ভুনবীর ইউনিয়ন (ভীমসী, বাবুর বাজার, শাসন, ভুনবীর গ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশ্বজিৎ দেব (বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, সাধারণ সম্পাদক), জীবন দেব (পাত্রকুল শ্রীশ্রী শিববাড়ি পরিচালনা কমিটি, কোষাধ্যক্ষ), আব্দুর রাজ্জাক (শ্রীমঙ্গল থানার পরিদর্শক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি মন্দির-ঠাকুরঘরে চুরি, ৩ সেপ্টেম্বর ও ৫ সেপ্টেম্বর দু’রাতে ঘটনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!