📌 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে দ্বিতীয় স্থান পেয়ে ফিন্যান্স বিভাগে অধ্যয়নরত খালেদা আক্তার সাফল্যের গল্প শেয়ার করেছেন। তিনি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির টিপসও দিয়েছেন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে দ্বিতীয় স্থান পেয়ে ফিন্যান্স বিভাগে অধ্যয়নরত খালেদা আক্তার সাফল্যের গল্প শেয়ার করেছেন। তিনি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির কৌশল ও নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খালেদা আক্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সি’ ইউনিটের মানবিক বিভাগে ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন এবং বর্তমানে ফিন্যান্স বিভাগে পড়ছেন।
- 📌 তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে ৩৮৩তম স্থান পেয়েছিলেন।
- 📌 ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে তিনি এইচএসসির পাঠ্যবইয়ের বেসিক বিষয়গুলো এবং প্রশ্নব্যাংক সমাধানকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, প্রতিদিনের পড়া শেষ করা, মডেল টেস্ট দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ টপিক বাছাই করে পড়া সাফল্যের কী।
- 📌 খালেদা আক্তারের মা-বাবা, ভাই-বোন ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা তাকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
খালেদা আক্তার গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেছেন। তিনি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সি’ ইউনিটের মানবিক বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়ে ফিন্যান্স বিভাগে অধ্যয়নরত। এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন।
খালেদা আক্তার বলেছেন, ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি মূলত কলেজ থেকে শুরু হয়। তিনি শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “এইচএসসির পাঠ্যবইয়ের বেসিক বিষয়গুলো ভালোভাবে পরিষ্কার থাকলে ভর্তি পরীক্ষায় অনেক সাহায্য হয়।”
তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা। এ ক্ষেত্রে তার মা-বাবা, বড় বোন ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা তাকে সাহায্য করেছিল। তিনি বলেন, “আমার সাফল্যের পেছনে মা-বাবা, ভাই-বোন এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের অবদান রয়েছে।”
খালেদা আক্তার ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির কৌশল হিসেবে বলেছেন, প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করা, প্রশ্নব্যাংক সমাধান এবং এমসিকিউ অনুশীলন করা। তিনি বলেন, “সবকিছু না পড়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিক বাছাই করে পড়া কাজে দিয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের জন্য তিনি নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন।
"বাংলা: পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়তে হবে। ব্যাকরণের জন্য নবম-দশম শ্রেণির পুরোনো বই পড়লে পরীক্ষা ভালো করা সম্ভব। ইংরেজি: পাঠ্যবইয়ের ভোকাবুলারি ও অনুচ্ছেদগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। গণিত: অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির গণিতের মৌলিক বিষয়গুলো থেকে প্রশ্ন আসে।"
তিনি আরও বলেছেন, “বিগত বছরের প্রশ্নব্যাংক সমাধান করে প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। নিয়মিত মডেল টেস্ট দিতে হবে এবং ভুলগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট টপিক আবার পড়তে হবে। নিয়মিত রিভিশন দিতে হবে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। পরীক্ষার সময় নার্ভাস হওয়া যাবে না। ওএমআর শিট সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করতে হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খালেদা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ, ৩৮৩তম স্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!