📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দীর্ঘদিন নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে পরিবারদের আর্তি: ২ হাজার ৩৮ জনেরও সন্ধান মেলেনি

দীর্ঘদিন নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে পরিবারদের আর্তি: ২ হাজার ৩৮ জনেরও সন্ধান মেলেনি

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নিখোঁজ শিশুদের পরিবাররা দাবি জানিয়েছেন দ্রুত সন্ধান ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুলাইতে ১৫ হাজার ৭১৭ জন শিশু নিখোঁজের জিডি দায়ের হলেও ২ হাজার ৩৮ জনের সন্ধান মেলেনি। সংবাদ সম্মেলনে পরিবার ও জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সদস্যরা দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ঘটনাগুলোর পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়েছেন

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিখোঁজ শিশুদের পরিবাররা আর্তি জানিয়ে দাবি করেছেন দ্রুত সন্ধান ও নিরাপদে তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারি উদ্যোগ নেওয়া। রোববার ঢাকার রাজধানীর ডিআরইউ মিলনায়তনে ‘আমার সন্তান কোথায়?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে পরিবার ও জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এই দাবি তুলে ধরেন। এতে জানানো হয়, পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১৫ হাজার ২৪৩ জন শিশু-কিশোরের নিখোঁজের জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জন উদ্ধার হলেও ১ হাজার ৯৭০ জনের সন্ধান মেলেনি। অন্যদিকে, ০ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ৪৭৪টি জিডির বিপরীতে ৪০৬ জন উদ্ধার হলেও ৬৮ জনের সন্ধান মেলেনি। সব বয়স মিলিয়ে ১৫ হাজার ৭১৭ জন নিখোঁজের মধ্যে ২ হাজার ৩৮ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি — যা প্রায় ১৩ শতাংশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুলাইতে ১৫ হাজার ৭১৭ জন শিশু নিখোঁজের জিডি দায়ের হলেও ২ হাজার ৩৮ জনের সন্ধান মেলেনি
  • 📌 সংবাদ সম্মেলনে জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো: সাদাত রহমানসহ ৪০টি পরিবারের সদস্য অংশ নেন
  • 📌 ২০২৪ সালে সিলেটের মুনতাহার হত্যাকাণ্ডের পর ‘মুন অ্যালার্ট’ ও টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯ চালু করা হয়
  • 📌 শিশু নিখোঁজের কারণ হিসেবে ছোট শিশুরা হারিয়ে যাওয়া, কিশোররা পারিবারিক বিরোধ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে পালিয়ে যাওয়া উল্লেখ করা হয়

📰 বিস্তারিত

সংবাদ সম্মেলনে পরিবার ও জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সদস্যরা দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত নিখোঁজ শিশুদের সন্ধান ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর বছরব্যাপী অনুসন্ধান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যোগাযোগের পরেও অনেক শিশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারগুলো দাবি করেছেন, নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অনলাইন জিডি ব্যবস্থা চালুর পর নিখোঁজ জিডির সংখ্যা বেড়েছে। তবে সংখ্যাবৃদ্ধির একটি অংশ বাস্তবে নিখোঁজের ঘটনা বাড়ার কারণে, অন্য অংশ রিপোর্টিং সহজ হওয়ার ফল। পুলিশের বিশ্লেষণে দেখা যায়, শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত পরিবারের সাথে অপরিচিত জায়গায় গিয়ে হারিয়ে যাওয়া বা বাড়ি ফেরার পথে চলে যাওয়ার কারণে নিখোঁজ হয়। অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে পারিবারিক বিরোধ, অর্থের প্রয়োজন বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে পালিয়ে যাওয়া একটি সাধারণ কারণ।

২০২৪ সালে সিলেটের মুনতাহা আক্তার জারিনের হত্যাকাণ্ডের পর ‘মুন অ্যালার্ট’ এবং টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১৩২১৯ চালু করা হয়। বর্তমানে এই ব্যবস্থা দেশব্যাপী শিশু নিখোঁজ প্রতিরোধ ও উদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। সংবাদ সম্মেলনে পরিবার ও ফাউন্ডেশনের সদস্যরা দাবি করেছেন, শিশু নিখোঁজের প্রতিটি ঘটনাকে অপহরণ হিসেবে দেখলে প্রকৃত সমস্যা আড়াল হতে পারে।

"সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর বছরব্যাপী অনুসন্ধান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যোগাযোগের পরেও অনেক শিশুর সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (ডিআরইউ মিলনায়তন), সিলেট (মুনতাহার ঘটনা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো: সাদাত রহমান (জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি), নিখোঁজ শিশুদের পরিবার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার ৩৮ জন (সন্ধান মেলেনি), ১৫ হাজার ৭১৭ জন (নিখোঁজ জিডি), ১৩ শতাংশ (অমীমাংসিত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖