📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহিমা মকওয়ানা: ‘পুরোনো দিনের প্রেমে বিশ্বাস করি’—কীভাবে টেলিভিশনের ‘রচনা’ থেকে শুরু করে নেটফ্লিক্সের ‘মুসাফির ক্যাফে’-তে পৌঁছলেন অভিনেত্রী

মহিমা মকওয়ানা: ‘পুরোনো দিনের প্রেমে বিশ্বাস করি’—কীভাবে টেলিভিশনের ‘রচনা’ থেকে শুরু করে নেটফ্লিক্সের ‘মুসাফির ক্যাফে’-তে পৌঁছলেন অভিনেত্রী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেটফ্লিক্সের রোমান্টিক সিরিজ ‘মুসাফির ক্যাফে’তে অভিনয় করে আবার আলোচনায় আসা মহিমা মকওয়ানা বলেছেন, তিনি কখনো হারিয়ে যাননি, শুধু ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় ছিলেন। টেলিভিশনের ‘রচনা’ থেকে শুরু করে বর্তমান সাফল্যের গল্প শেয়ার করেছেন তিনি

মহিমা মকওয়ানা নেটফ্লিক্সের রোমান্টিক সিরিজ ‘মুসাফির ক্যাফে’তে প্রীতি চরিত্রে অভিনয় করে আবার আলোচনায় আসছেন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা-কুর্লা কমপ্লেক্সে নেটফ্লিক্সের কার্যালয়ে প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধির সাথে কথোপকথনে তিনি বলেছেন, তিনি কখনো হারিয়ে যাননি, শুধু ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘মুসাফির ক্যাফে’তে অভিনয়ের আগে মহিমা মকওয়ানা বলেছেন, তিনি কোথাও হারিয়ে যাননি, শুধু ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় ছিলেন।
  • 📌 ১২ বছর বয়সে টেলিভিশনের ‘রচনা’ দিয়ে শুরু করে, বর্তমানে তিনি নেটফ্লিক্সের সিরিজে অভিনয় করছেন।
  • 📌 অভিনয় জীবনে কাজের অপেক্ষা সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করেন মহিমা, কিন্তু তিনি নিজেকে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারেন।
  • 📌 ‘মুসাফির ক্যাফে’তে সহ-অভিনেত্রী বেদিকা পিন্টোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সম্পর্কে বলেছেন, “একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসই সবকিছু নির্ধারণ করে”।
  • 📌 ১৫ বছর আগে বালিকা বধূর সেটে বিক্রান্ত ম্যাসির সঙ্গে দেখা হয়েছিল, সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “একে বের করে দাও, ও অভিনয়ই পারে না”।

📰 বিস্তারিত

মহিমা মকওয়ানা বলেছেন, তিনি কোথাও হারিয়ে যাননি, শুধু ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় ছিলেন। তিনি বলেন, “আমি এখানেই ছিলাম। শুধু ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় ছিলাম। একজন অভিনেতা হিসেবে নিজের কাজটা করা ছাড়া অনেক কিছুই আমাদের হাতে থাকে না। কোনো প্রকল্প কবে শুরু হবে, কবে মুক্তি পাবে, তা প্রযোজকসহ নানা বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।”

‘শোটাইম’ বা ‘অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ’র মতো সিরিজের চেয়ে আলাদা কিছু করতে চেয়েছিলেন মহিমা। সেই অপেক্ষারই উত্তর হয়ে এসেছে ‘মুসাফির ক্যাফে’। তিনি বলেন, “ভালো কাজ আসতে একটু সময় লেগেছে। মনে হয়েছে, মুসাফির ক্যাফে আমার জন্য ঠিক সেই সুযোগ ছিল।”

অভিনয় জীবনে কাজের অপেক্ষা সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করেন মহিমা। তিনি বলেন, “আমার কাছে সেটে থাকা সবচেয়ে সহজ। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করার সময়ই নিজেকে সবচেয়ে স্বাধীন মনে হয়। কঠিন হলো অপেক্ষা। তবে আমরা তো এই পেশা নিজেরাই বেছে নিয়েছি, তাই অভিযোগ করার সুযোগ নেই।”

গত দুই বছর কাজের পাশাপাশি নিজেকে সময় দিয়েছেন মহিমা। তিনি বলেন, “ওই সময়টা আমাকে নিজেকে আরও ভালোভাবে চিনতে সাহায্য করেছে। বুঝেছি, কাজের বাইরেও জীবনে অনেক কিছু আছে। হতাশা এসেছে, কিন্তু অর্ধেকের বেশি বিষয়ই তো আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না।”

মহিমা বলেন, টেলিভিশনের ‘রচনা’ দিয়ে শুরু করে বর্তমান সাফল্যের গল্প। তিনি বলেন, “তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর, আর এখন প্রায় ২৭। টেলিভিশনের প্রভাবকে আমরা অনেক সময় ছোট করে দেখি। কিন্তু ১৫ বছর পরও যখন মানুষ পরিবারের একজনের মতো ভালোবাসে, তখন বোঝা যায়, এর পরিধি কতটা বিস্তৃত। আমার পরিচিতি ও ক্যারিয়ারের ভিত্তি তৈরি করেছে টেলিভিশন।”

‘মুসাফির ক্যাফে’তে সহ-অভিনেত্রী বেদিকা পিন্টোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিষয়টা দুই নারী বা দুই পুরুষের নয়, বরং একজন মানুষ কেমন, সেটাই আসল। দুই অভিনেত্রীর মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব হতে পারে, আবার কোনো পুরুষ অভিনেতার সঙ্গে মিল না–ও হতে পারে। সবটাই নির্ভর করে আপনি জীবনের কোন পর্যায়ে আছেন এবং নিজের সম্পর্কে কতটা আত্মবিশ্বাসী।”

মহিমা বলেন, ‘মুসাফির ক্যাফে’তে সহ-অভিনেতা বিক্রান্ত ম্যাসির সঙ্গে তাঁর পরিচয় অনেক আগের। তিনি বলেন, “বয়স যখন মাত্র ৯-১০ বছর, বালিকা বধূর সেটে প্রথম দেখা হয়েছিল। সেই দিনের একটি স্মৃতি এখনো মনে আছে। তখন পরিচালক আমাকে সবার সামনে বকেছিলেন। বলেছিলেন, ‘একে বের করে দাও, ও অভিনয়ই পারে না’। কিন্তু সেই সেটে একজন ছেলে ছিল, যে খুব আন্তরিক। ১৫ বছর পর সেই একই মানুষের সঙ্গে আবার পর্দা ভাগ করে নিচ্ছি।”

"একে বের করে দাও, ও অভিনয়ই পারে না।"

মহিমা বলেন, বিক্রান্তের সঙ্গে কাজ করে তাঁর যে গুণটি সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে, তা হলো সরলতা। তিনি বলেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিভাবান মানুষ অনেক পাওয়া যায়, কিন্তু সত্যিই ভালো মানুষ খুব কম। বিক্রান্ত এমনই একজন। তিনি নিজের সাফল্য বা অতীত কাজের ভার সেটে নিয়ে আসেন না, নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আসেন। তাঁর কাছ থেকে আমি সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা শিখেছি, সেটা হলো সরলতা।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুম্বাই, বান্দ্রা-কুর্লা কমপ্লেক্স
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহিমা মকওয়ানা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর (বয়স), ১৫ বছর (টেলিভিশনের প্রভাব), ৯-১০ বছর (বিক্রান্ত ম্যাসির সঙ্গে প্রথম দেখা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖