📌 শরীয়তপুরে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা
শরীয়তপুরে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে পাঁচ চোরকে গ্রেপ্তার
- 📌 গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আতাহার মাদবর (৩৬), সুমন সরদার (৩০), মো. রুবেল ব্যাপারী (৩০), মো. সাগর খলিফা (২৯) ও শিপলু খান (৪৫)
- 📌 গয়ঘর খলিফাকান্দী এলাকার ব্যবসায়ী মিজান শেখের ঘর থেকে চুরি করা হয়েছিল সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা ও প্রায় ৮ ভরি স্বর্ণালংকার
- 📌 উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা
- 📌 সুস্মিতা শিল্পালয় ও মা জুয়েলার্স থেকে চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার
📰 বিস্তারিত
শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলমের নেতৃত্বে পুলিশ সংঘবদ্ধ চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নড়িয়া উপজেলার বিল দেওয়ানিয়া এলাকার আতাহার মাদবর (৩৬), সদর উপজেলার শৌলপাড়া এলাকার সুমন সরদার (৩০), মো. রুবেল ব্যাপারী (৩০), মো. সাগর খলিফা (২৯) ও শিপলু খান (৪৫)।
গত ২২ আগস্ট ব্যবসায়ী মিজান শেখ ঘরে তালা দিয়ে অসুস্থ মাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যান। পরদিন রাতে চোরেরা তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ট্রাঙ্কের তালা ভেঙে সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা ও প্রায় ৮ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। এসব স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় ২৭ আগস্ট মিজান শেখ পালং মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পরদিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে শৌলপাড়া এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন তাঁদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তার আতাহার মাদবরের দেওয়া তথ্যে শৌলপাড়া বাজারের ‘সুস্মিতা শিল্পালয়’ নামের একটি স্বর্ণের দোকান ও তাঁর বাসায় অভিযান চালিয়ে চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। এ সময় সুস্মিতা শিল্পালয়ের সুমন পালকেও (৩২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গঙ্গানগর স্বর্ণকারপট্টির ‘মা জুয়েলার্স’ ও তাঁর বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেও চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
"গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন আকৃতির চারটি চেইন, ছোট-বড় সাতটি আংটি, সাত জোড়া দুল, একটি ব্রেসলেট, একটি নেকলেস, একটি লকেট ও তিনটি গলানো স্বর্ণের টুকরা।"
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার আসামিদের আবারও আদালতে সোপর্দ করা হবে। মামলার অপর আসামি রবিন খলিফা (২৭) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তার এবং চোরাই বাকি স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শরীয়তপুরের পালং মডেল থানা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজান শেখ, ওসি মো. শাহ আলম, আতাহার মাদবর, সুমন সরদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাঁচজন গ্রেপ্তার, ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা, ১৫ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!