📌 নওগাঁর পোরশায় দুটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হলেও একই এলাকায় অবস্থিত অবৈধ একটি ইটভাটায় অভিযান না করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করলেও তিনি সেখানে যাননি। স্থানীয়রা তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন
নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলায় পরিবেশ আইন লঙ্ঘনকারী দুটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হলেও একই এলাকায় অবস্থিত একটি অবৈধ ইটভাটা বাদ পড়ার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযানের সময় ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করলেও তিনি সেখানে যাননি বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা এই অজানা সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাখ্যা চাইছেন এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পোরশা উপজেলায় দুটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হলেও একই এলাকায় অবস্থিত একটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান করা হয়নি
- 📌 পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করলেও তিনি অবৈধ ইটভাটায় যাননি — এই সিদ্ধান্তের কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 অভিযানে অংশ নেওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা বলেছেন, ‘মোবাইল কোর্টের নিয়ম হচ্ছে একটি স্থানে অভিযান চালানো এবং বাকিদের সতর্ক করা’
- 📌 অভিযানের সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হোসাইন বলেছেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেছেন সেখানে যাবেন না’
- 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে অবহিত করার পরও অভিযান না করা নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে পোরশা উপজেলার পশ্চিম রঘুনাথপুর এলাকার মেসার্স এনএসবি ব্রিকস এবং নিতপুর এলাকার মেসার্স কেইবিসি ব্রিকসে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানার নেতৃত্বে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযানের আওতাভুক্ত এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত মেসার্স এমআরএসএ ব্রিকস নামে আরেকটি ইটভাটায় অভিযান করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ভাটারও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই।
অভিযানের সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেন যে, এমআরএসএ ব্রিকস ইটভাটাটি অবৈধ। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট সেখানে যাননি। পরিবেশ অধিদপ্তরের নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ও অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্বে থাকা মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘আমরা যখন মোবাইল কোর্টের টিম হিসেবে যাই, তখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি, ওই ইটভাটাটি অবৈধ। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেছেন সেখানে যাবেন না। সেটি তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।’
অন্যদিকে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা বলেন, ‘মোবাইল কোর্টের নিয়ম হচ্ছে, যেকোনো একটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা এবং বাকিদের সতর্ক করা। আমি জেনে যাইনি কোনটি বিএনপি নেতার, কোনটি অন্য কারও। আমাদের যেটা চোখে পড়েছে, সেখানেই মোবাইল কোর্ট করেছি।’
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হোসাইন। অভিযানে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি দল। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন যে, একই এলাকায় একই ধরনের অবৈধতা থাকা সত্ত্বেও একটি ইটভাটাকে কেন অভিযানের বাইরে রাখা হলো?
"আমরা যখন মোবাইল কোর্টের টিম হিসেবে যাই, তখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি, ওই ইটভাটাটি অবৈধ। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেছেন সেখানে যাবেন না। সেটি তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।"
"মোবাইল কোর্টের নিয়ম হচ্ছে, যেকোনো একটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা এবং বাকিদের সতর্ক করা। আমি জেনে যাইনি কোনটি বিএনপি নেতার, কোনটি অন্য কারও। আমাদের যেটা চোখে পড়েছে, সেখানেই মোবাইল কোর্ট করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পোরশা উপজেলা, নওগাঁ জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা সুলতানা, সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হোসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ টাকা জরিমানা, ৪ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!