📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান ১০টি দপ্তরে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা ও সচেতন নাগরিকেরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং জমির মালিকানায় বিরোধের কথা উল্লেখ করে আইনগত নিষ্পত্তির দাবি তুলেছেন
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগ আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জেলা পরিষদের প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়ে হাসপাতালের জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার না করে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) পাঠানো এই চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. শরীফুল আলমসহ ১০টি দপ্তরে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভৈরব উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমিতে মার্কেট নির্মাণের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান ১০টি দপ্তরে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছেন
- 📌 প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন এই কেন্দ্রে, যেখানে একজন মেডিকেল অফিসারসহ ৫ জন কর্মকর্তা কর্মরত
- 📌 ১৫ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসা এই কেন্দ্র, যেখানে নিয়মিত পৌরসভার টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়
- 📌 জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কর্মকর্তারা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পেছনের পুরোনো ভবন ভাঙার চেষ্টা ও ১০ হাজার ইট মজুতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, জমির মালিকানায় বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি স্বাধীনতার আগে থেকেই স্থানীয় মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। সিভিল সার্জনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে প্রতিদিন এখানে বহির্বিভাগে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন। কেন্দ্রটিতে একজন মেডিকেল অফিসার, একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, একজন মিডওয়াইফ, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন অফিস সহায়ক কর্মরত রয়েছেন।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভৈরব বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত এই উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি প্রায় ১৫ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসা। এখানে নিয়মিত পৌরসভার সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) পরিচালিত হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের উদ্যোগে সেখানে আধুনিক ২০ শয্যার ডায়াবেটিস হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
সিভিল সার্জনের অভিযোগ, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে অচল দেখিয়ে জমিটি জেলা পরিষদের অধীনে নেওয়ার জন্য সম্ভবত একটি রেজুলেশন পাস করা হয়েছে। গত ৩ নভেম্বর হাসপাতালের পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করা হলে স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের সদস্যরা তাতে বাধা দেন। চিঠিতে বলা হয়, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কার্যক্রম সচল থাকা অবস্থায় এর স্থাপনা ভেঙে ফেলার উদ্যোগ স্বাস্থ্য বিভাগ ও সাধারণ মানুষকে মর্মাহত করেছে।
"ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি স্বাধীনতার আগে থেকেই স্থানীয় মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে। বর্তমানে প্রতিদিন এখানে বহির্বিভাগে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন।"
জমির মালিকানায় বিরোধের কথা উল্লেখ করে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, কোনো অবস্থাতেই সচল স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করা যাবে না। বরং কেন্দ্রটি আধুনিকায়নের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন। সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেছেন, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে অচল দেখিয়ে জমিটি জেলা পরিষদের অধীনে নেওয়ার উদ্যোগ স্বাস্থ্য বিভাগ ও সাধারণ মানুষকে মর্মাহত করেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভৈরব উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি দপ্তরে চিঠি, ১০০-১৫০ জন রোগী, ১৫ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবা, ২০ শয্যার ডায়াবেটিস হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!