📌 যশোরের কেশবপুরে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারী নারীকে চাপা দেয় এবং মাদ্রাসায় ঢুকে পড়ে। নারী মারা যান এবং বাসের হেলপার আহত হন
যশোরের কেশবপুরে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। যশোর-চুকনগর সড়কের মধ্যকুল উত্তরপাড়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস এক পথচারী নারীকে চাপা দেয়। এরপর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ঢুকে পড়ে। নিহত নারী রোকেয়া বেগম (৪৫) ছিলেন ওই এলাকার মধ্যকুল গ্রামের রেজাউল ইসলামের স্ত্রী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের কেশবপুরে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারী নারীকে চাপা দেয় এবং মাদ্রাসায় ঢুকে পড়ে।
- 📌 নিহত নারী রোকেয়া বেগম (৪৫) ছিলেন রেজাউল ইসলামের স্ত্রী।
- 📌 বাসের হেলপার মানিক ফকির (৪২) আহত হন এবং কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।
- 📌 মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ গোলাম মোস্তফা জানান, মাদ্রাসার ভেতরে থাকা ১০-১২ জনের কোনো ক্ষতি হয়নি।
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে যশোরগামী একটি খালি বাস হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাম পাশে হেঁটে চলা রোকেয়া বেগমকে চাপা দেয়। এরপর বাসটি রাস্তার ডান পাশে থাকা মধ্যকুল উত্তরপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা ভবনের সামনের অংশ ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই বাসের চালক পালিয়ে যান।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আব্দুর রহিম সড়ক দুর্ঘটনায় ওই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ গোলাম মোস্তফা জানান, ফজরের নামাজের পর ওই নারী হাঁটতে বের হয়েছিলেন। বাসটি মাদ্রাসায় ঢুকে পড়ায় ভবনের সামনের অংশের বেশ ক্ষতি হয়েছে। তবে সে সময় মাদ্রাসার ভেতরে তারা ১০-১২ জন থাকলেও তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।
বাসের হেলপার মানিক ফকির ডান পায়ে আঘাত পান। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বাসের নিচে চাপা পড়ে রোকেয়া বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান।
"বাসটি মাদ্রাসায় ঢুকে পড়ায় ভবনের সামনের অংশের বেশ ক্ষতি হয়েছে। তবে সে সময় মাদ্রাসার ভেতরে তারা ১০-১২ জন থাকলেও তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি।" - মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ গোলাম মোস্তফা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেশবপুর, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোকেয়া বেগম, মানিক ফকির, হাফেজ গোলাম মোস্তফা, আব্দুর রহিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ (রোকেয়া বেগমের বয়স), ৪২ (মানিক ফকিরের বয়স), ১০-১২ (মাদ্রাসার ভেতরে থাকা লোক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!