📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধা: নেশাক্রান্ত বাবা ১১ মাস বয়সী কন্যাকে বিক্রির চেষ্টা, মা দিশেহারা

গাইবান্ধা: নেশাক্রান্ত বাবা ১১ মাস বয়সী কন্যাকে বিক্রির চেষ্টা, মা দিশেহারা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নেশাক্রান্ত পরিবহন শ্রমিক হামিদুল ১১ মাস বয়সী কন্যাকে বিক্রির চেষ্টা করে। মা রুমানা আক্তার দাবি, নেশার টাকা না পেলে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। সদর থানা এখনও অভিযোগ পায়নি বলে জানিয়েছে

গাইবান্ধা: নেশাক্রান্ত পরিবহন শ্রমিকের হাত থেকে ১১ মাস বয়সী একটি শিশুকে উদ্ধার করার দাবি জানিয়েছেন শিশুটির মা রুমানা আক্তার। গাইবান্ধা শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় রুমানা দাবি করেছেন, তার স্বামী হামিদুল নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য কন্যাকে বিক্রির চেষ্টা করেছেন। ঘটনার পর থেকে শিশুটিকে ফিরে পাননি তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ ধানঘড়া এলাকায় ১১ মাস বয়সী শিশু ফাতেমা আক্তার জান্নাতকে বাবা হামিদুল বিক্রির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ
  • 📌 রুমানা আক্তার জানান, হামিদুল ১০ হাজার টাকা না পেলে শিশুটিকে বিক্রি করে দেবেন বলে হুমকি দিয়েছিলেন
  • 📌 নেশাক্রান্ত হামিদুল মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়েছে, মায়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ
  • 📌 সদর থানার ওসি নাজমুল হুদা বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি
  • 📌 রুমানা ও পরিবার দাবি, শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হোক

📰 বিস্তারিত

রুমানা আক্তার জানান, প্রায় দুই মাস আগে বিকেল ৫টার দিকে দুধ কিনে দেওয়ার কথা বলে তার স্বামী হামিদুল ১১ মাস বয়সী কন্যা ফাতেমা আক্তার জান্নাতকে বাস টার্মিনালের দিকে নিয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। রুমানা জানান, শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পর হামিদুল মোবাইল ফোনে তাকে জানান, ১০ হাজার টাকা না দিলে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়া হবে। তবে আর্থিক সংকটের কারণে তিনি ওই টাকা দিতে পারেননি। এরপর থেকে শিশুটিকে ফিরে পাননি তিনি।

রুমানা আরও জানান, হামিদুল পরে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়ায় তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পরিবহন শ্রমিক হামিদুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকা জোগাড় করতেই শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি। ঘটনার পর থানায় অভিযোগ ও আদালতে মামলা করেও সন্তানকে ফিরে না পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন রুমানা।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াসহ শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।’

"আমি দুধ কিনে দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিয়ে যান। কিন্তু আর ফিরে আসেননি। মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছে, আর কোনো যোগাযোগ নেই।" — রুমানা আক্তার, শিশুটির মা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা সদর উপজেলা, দক্ষিণ ধানঘড়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমানা আক্তার (মা), হামিদুল (বাবা), নাজমুল হুদা (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ মাস বয়স, ১০ হাজার টাকা, বিকেল ৫টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖