📌 সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে ভূতাত্ত্বিক জরিপে ১১ কোটি টন ইউরেনিয়াম ও দুর্লভ খনিজের বিশাল ভান্ডার আবিষ্কার করা হয়েছে। জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমান আইএইএ সম্মেলনে এই তথ্য ঘোষণা করেন। মার্কিন সহযোগিতায় এই খনিজ সম্পদের মূল্য ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি
সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে ভূতাত্ত্বিক জরিপে অগাধ পরিমাণে ইউরেনিয়াম ও দুর্লভ খনিজের বিশাল ভান্ডার আবিষ্কার করা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের কথা সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৭০তম সাধারণ সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন। জাবাল সাঈদ নামক খনিতে ১১ কোটি টন ইউরেনিয়াম ও দুর্লভ খনিজের বিশাল মজুদ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে ১১ কোটি টন ইউরেনিয়াম ও দুর্লভ খনিজের বিশাল ভান্ডার আবিষ্কৃত হয়েছে
- 📌 জাবাল সাঈদ খনিতে ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী দুর্লভ খনিজ, ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন হালকা খনিজ ও ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়াম মজুদ রয়েছে
- 📌 এই খনিজ সম্পদের মূল্য আনুমানিক ১০০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৯০ শতাংশ বেশি
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে
- 📌 সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা আরও ৬৪ কোটি ৪০ লাখ টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন খনিজ অঞ্চল চিহ্নিত করেছে
📰 বিস্তারিত
জাবাল সাঈদ খনিটি জেদ্দা থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। এই খনিতে বিশ্বমানের খনিজ সম্পদ আবিষ্কারের পর সৌদি আরবের পারমাণবিক প্রকল্পে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে নভেম্বর ২০২৫ সালে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর এই খাতে মার্কিন সহযোগিতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সফরের সময় সৌদি রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’ এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘এমপি মেটেরিয়ালস’-এর মধ্যে যৌথ অংশীদারিত্ব চুক্তি হয়। এই চুক্তির অধীনে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ৪৯ শতাংশ অর্থায়ন করবে নতুন প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্টের জন্য।
গত ২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি সচিব ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমানের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক বেসামরিক পারমাণবিক সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির ফলে মার্কিন প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌদি আরবের পারমাণবিক প্রকল্পে নতুন গতি আসবে।
‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জাবাল সাঈদ খনিতে প্রায় ৫ লাখ ৫২ হাজার টন ভারী দুর্লভ খনিজ উপাদান এবং ৩ লাখ ৫৫ হাজার টন হালকা খনিজ উপাদানের পাশাপাশি প্রায় ৩১ হাজার টন ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে। বর্তমানে এই খনিজ সম্পদের মোট মূল্য আনুমানিক ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৯০ শতাংশ বেশি।
"আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার ৭০তম সাধারণ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমান"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাবাল সাঈদ, মদিনা, সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সালমান (সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ কোটি টন ইউরেনিয়াম ও দুর্লভ খনিজ, ১০০ বিলিয়ন ডলার মূল্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!