📌 বরিশালের মুলাদীতে প্রবাসী মো. রেজিন হোসেনের বাড়িতে ডাকাতরা গ্রিল কেটে ঢুকে পরিবারকে জিম্মি করে ১৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করে। নদী থেকে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশের দ্বারা
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় প্রবাসী মো. রেজিন হোসেনের বাড়িতে ডাকাতরা গ্রিল কেটে ঢুকে পরিবারকে জিম্মি করে ১৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং লুটকৃত মালামাল উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ লাখ টাকার মালামাল লুট: স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ মোট ১৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে
- 📌 জিম্মি করা পরিবার: রেজিন হোসেন, তার স্ত্রী সুমি বেগম ও ছোট ভাই রাজিবসহ পরিবারের সদস্যদের গামছা ও ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়
- 📌 ৫-৬ জন ডাকাত ঘরে ঢুকেছে: দক্ষিণ পাশের জানালার গ্রিল কেটে ৫-৬ জন ডাকাত ঘরে প্রবেশ করে, অন্যরা বাইরে পাহারা দিয়েছিল
- 📌 হত্যার হুমকি: পরিবারের সদস্যদের চিৎকার করলে ডাকাতরা হত্যার হুমকি দিয়েছিল
- 📌 নদী থেকে মৃতদেহ উদ্ধার: চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মাইজ উদ্দিনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার রাতে বরিশালের মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ভূইয়া বাড়িতে প্রবাসী মো. রেজিন হোসেনের বাড়িতে অজ্ঞাতনামা ডাকাতরা আক্রমণ করে। রেজিন হোসেন সৌদি আরব থেকে গত ৯ আগস্ট দেশে ফিরে এসেছিলেন। ঘটনাকালে ১৫ থেকে ২০ জন ডাকাত দেশি অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রেজিন হোসেনের বাড়ির চারদিকে অবস্থান নেয়। এরপর ৫-৬ জন ডাকাত দক্ষিণ পাশের জানালার লোহার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে।
ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতরা রেজিন হোসেন, তার স্ত্রী সুমি বেগম ও ছোট ভাই রাজিবের গলায় অস্ত্র ধরে জিম্মি করে নেয়। পরিবারের সদস্যদের চিৎকার করলে ডাকাতরা হত্যার হুমকি দেয়। এরপর তারা পরিবারের সদস্যদের গামছা ও ওড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। ডাকাতরা আলমারি ও শোকেস থেকে ৪ ভরির বেশি স্বর্ণালংকার, নগদ ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও একটি স্মার্টফোন নিয়ে যায়।
ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গিয়ে তাদের বাঁধন খুলে দেন। পরে খবর পেয়ে মুলাদী থানা ও বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রেজিন হোসেন বাদী হয়ে মুলাদী থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেছেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।’
সহইতিহাসে, চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মাইজ উদ্দিন (৫০) নামের এক কারখানা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।
"খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশালের মুলাদী উপজেলা, সফিপুর ইউনিয়ন, বোয়ালিয়া গ্রাম, ভূইয়া বাড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রেজিন হোসেন, সুমি বেগম, রাজিব, খন্দকার মো. সোহেল রানা, মাইজ উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ লাখ টাকা, ৫-৬ জন ডাকাত, ৪ ভরির স্বর্ণালংকার, ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ৫০ বছর (মাইজ উদ্দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!