📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ১৩ বছর বয়সী ছেলে অপ্রতিমের মরদেহ জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হতে পারে। মা-বাবা শোকে ভেঙে পড়েছেন
কুমিল্লায় একমাত্র সন্তান হারানোর শোকে ভেঙে পড়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও লেখক ড. নাহিদা বেগম। গত শুক্রবার বিকেলে বাসা থেকে বের হয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়া ১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্র অপ্রতিমের মরদেহ শনিবার দুপুরে কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হতে পারে। সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হলেও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ১৩ বছর বয়সী ছেলে অপ্রতিমের মরদেহ জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপ্রতিমকে হত্যা করা হতে পারে
- 📌 সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হলেও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে
- 📌 নিহত অপ্রতিমের বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেছেন, ‘আমার একটি মাত্র ছেলে। সে অন্যায় করলে তাকে মেরে ফেলুক—সে তো অন্যায় করেনি’
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার বিকেলে বাসা থেকে বের হয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়া অপ্রতিমের মরদেহ শনিবার দুপুরে কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে অপ্রতিম নিজ বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। সঙ্গে ছিল তার মায়ের আইফোন। বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
মায়ের মুঠোফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর থেকেই অপ্রতিমের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত—ছেলের কোনো সন্ধান না পেয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে মা-বাবার। ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে শুক্রবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ড. নাহিদা বেগম। সেখানে তিনি জানান, তাঁর ছেলে অপ্রতিমের বয়স ১৩ বছর। সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল একটি পাঞ্জাবি। মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত অপ্রতিমের মুঠোফোনটির অবস্থান কুমিল্লার গন্ধমতী এলাকায় দেখা যাচ্ছিল। এরপর আর ফোনটির কোনো অবস্থান পাওয়া যায়নি। ছেলের কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
“আমার একটি মাত্র ছেলে। সে অন্যায় করলে তাকে মেরে ফেলুক—সে তো অন্যায় করেনি।”
অপ্রতিমের বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, ‘আমার একটি মাত্র ছেলে। সে অন্যায় করলে তাকে মেরে ফেলুক—সে তো অন্যায় করেনি। আমি কুমিল্লায় চাকরি করতে এসেছি, এটা কি আমার অন্যায়? আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে? আমি শুধু এটুকু জানতে চাই। আমি কোন দেশে থাকি, এটা কোন দেশ?’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা, কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নাহিদা বেগম, কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার, অপ্রতিম শাহরিয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর বয়স, ৩ টা বেলা, ৬টা ১৫ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!