📌 বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মচারীদের শাস্তিমূলক মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা ১ মাস থেকে বাড়িয়ে ২ মাস করেছে। বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫-এর সাথে সামঞ্জস্য রাখতে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ ধারা ৪৫ অধীনে পরিপত্তে।
বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা বাড়িয়েছে — বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫-এর সাথে সামঞ্জস্য রাখতে। আজ জারিকৃত এক পরিপত্তে বিবিতে বলা হয়েছে — ব্যাংক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক মামলা এখন দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। আগের নির্দেশে এক মাস ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যাংক কর্মচারীদের শাস্তিমূলক মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা: ১ মাস থেকে ২ মাসে বৃদ্ধি
- 📌 পরিপত্তে আজ জারি করা হয়েছে — কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপত্তে
- 📌 উদ্দেশ্য: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫-এর সাথে সামঞ্জস্য আনা
- 📌 আগের নির্দেশ প্রবর্তন করেছিল অন্য ব্যাংক থেকে কর্মী নিয়োগের নীতি — শাস্তিমূলক অনিয়ম রোধে
- 📌 আইনি ভিত্তি: ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ধারা ৪৫
- 📌 কার্যকর: তাৎক্ষণিকভাবে
📰 বিস্তারিত
আজ জারিকৃত এক পরিপত্তে বিবিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে — ব্যাংক কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক মামলা এখন দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে, প্রাসঙ্গিক সার্ভিস নিয়ম অনুযায়ী। এই পরিপত্তে ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১-এর ধারা ৪৫-এর অধীনে জারি করা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
পরিপত্তে একটি আগের বিবি নির্দেশ সংশোধন করেছে যাতে ব্যাংকগুলোকে এ ধরনের মামলা এক মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছিল। আগের পরিপত্তেটি অন্য ব্যাংক থেকে কর্মী নিয়োগের একটি স্ট্যান্ডার্ড নীতি প্রবর্তন করেছিল — ব্যাংক খাতে শাস্তিমূলক অনিয়ম রোধে সহায়তার জন্য। বিবি জানিয়েছে — সর্বশেষ সংশোধন বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫-এর সাথে নিয়ম সামঞ্জস্য করতে করা হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 🏛️ জারিকারী: বাংলাদেশ ব্যাংক (কেন্দ্রীয় ব্যাংক)
- ⏰ পুরোনো সময়সীমা: ১ মাস
- ⏰ নতুন সময়সীমা: ২ মাস
- 📋 আইনি ভিত্তি: ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১, ধারা ৪৫
- 📋 সামঞ্জস্য: বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫
- ⏰ কার্যকর: তাৎক্ষণিক
- 📋 উৎস: দ্য ডেইলি স্টার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!