📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মধুমতি ব্যাংক: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের ক্ষমতায়নে ৬৬.৬৬% গ্রাহক নারী

মধুমতি ব্যাংক: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের ক্ষমতায়নে ৬৬.৬৬% গ্রাহক নারী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মধুমতি ব্যাংক পিএলসি গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। বর্তমানে তাদের ৬৬.৬৬% গ্রাহক নারী এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ৭০% গ্রাহক নারী। ব্যাংকটি ৩৬ জেলায় ৪০৫টি এজেন্ট পয়েন্টের মাধ্যমে সেবা প্রদান করছে

মধুমতি ব্যাংক পিএলসি দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের আর্থিক ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। আধুনিক প্রযুক্তি, মানসম্মত সেবা এবং প্রান্তিক মানুষের কাছে সহজলভ্য ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ব্যাংকটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে ব্যাপক বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে ব্যাংকের মোট গ্রাহকদের মধ্যে ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ নারী, যা দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মধুমতি ব্যাংকের মোট গ্রাহকদের ৬৬.৬৬% নারী — সর্বোচ্চ নারী আর্থিক অন্তর্ভুক্তি
  • 📌 এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ৭০% গ্রাহক নারী — গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিপ্লব
  • 📌 ৩৬ জেলায় ৪০৫টি এজেন্ট পয়েন্টের মাধ্যমে সেবা প্রদান
  • 📌 ৬ লাখ ৮১ হাজার ৫৪৯টি মোট হিসাবের মধ্যে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩৭০ জন নারী গ্রাহক
  • 📌 ২০২৫ সালে ৯ হাজার ২৯১ কোটি টাকা আমানত ও ৮ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ
  • 📌 ১ দশমিক ৯৯% খেলাপি ঋণ হার — মানসম্মত ঋণ ব্যবস্থাপনা
  • 📌 ১ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা বৈদেশিক রেমিট্যান্স সংগ্রহ
  • 📌 ৭০ হাজার ডেবিট কার্ড, ১২ হাজার ক্রেডিট কার্ড ও ১ হাজার প্রি-পেইড কার্ড ইস্যু

📰 বিস্তারিত

মধুমতি ব্যাংক পিএলসি ২০১৩ সালের ৪ জুন যাত্রা শুরু করে এবং একই বছরের ৯ জুন আনুষ্ঠানিক লাইসেন্স পায়। ব্যাংকটি আর্থিক সূচকেও ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকটির মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৯১ দশমিক ৮৭ কোটি টাকায়। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটি মোট ৮ হাজার ১৭৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে, যার মধ্যে ৭৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ করপোরেট খাতে, ২৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ এসএমই ও কৃষি খাতে বিতরণ করা হয়েছে।

ব্যাংকটি নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বিশেষ জোর দিয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে ব্যাংকটির ৫৬টি শাখা, ৬টি উপশাখা এবং ৫৪টি এটিএম ও সিআরএম বুথ কাজ করছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ব্যাংকটি বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে। বর্তমানে তারা দেশের ৩৬টি জেলার ১১৩টি উপজেলায় ৪০৫টি এজেন্ট পয়েন্টের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছে। এ কার্যক্রমে থাকা ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৫৪৭টি হিসাবের প্রায় ৭০ শতাংশই নারীদের, যা গ্রামীণ অর্থনীতি ও নারীর ক্ষমতায়নে বড় ভূমিকা রাখছে।

মধুমতি ব্যাংক পিএলসি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার আওতায় ‘গো স্মার্ট ইন্টারনেট ব্যাংকিং’ এবং ‘করপোরেট ইন্টারনেট ব্যাংকিং’ চালু করেছে। গ্রাহকেরা ‘মধুমতি বন্ধন’ অ্যাপের সাহায্যে ই-কেওয়াইসি ব্যবহার করে খুব সহজেই নতুন হিসাব খুলতে পারেন। ব্যাংকটি এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার ডেবিট কার্ড, ১২ হাজার ক্রেডিট কার্ড এবং ১ হাজার প্রি-পেইড কার্ড ইস্যু করেছে। ক্যাশলেস সমাজ গড়ার লক্ষ্যে তারা ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট সেবাও চালু করেছে।

"মধুমতি ব্যাংক পিএলসি গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের কাছে সহজলভ্য সেবা প্রদানের মাধ্যমে তারা নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের ৩৬ জেলা, ১১৩টি উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মধুমতি ব্যাংক পিএলসি কর্মকর্তা ও গ্রাহকরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৬.৬৬% নারী গ্রাহক, ৭০% এজেন্ট ব্যাংকিং নারী গ্রাহক, ৪০৫টি এজেন্ট পয়েন্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖