📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে মানুষের চিন্তাশক্তি কমে যাচ্ছে: এমআইটি গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে মানুষের চিন্তাশক্তি কমে যাচ্ছে: এমআইটি গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি গবেষণায় দেখা গেছে, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায় এবং নিজস্ব চিন্তাশক্তি হ্রাস পায়। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ৫৪ জনের মধ্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীরা শেষ পর্যন্ত কপি-পেস্ট করে কাজ শেষ করতেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শিশুদের এআই নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের বিকাশে ক্ষতিকর হতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) মিডিয়া ল্যাবের গবেষণায় দেখা গেছে, চ্যাটজিপিটি ব্যবহার মানুষের স্বাধীন চিন্তাশক্তি হ্রাস করে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সী ৫৪ জনের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়। তারা তিনটি দলে বিভক্ত হন: চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারী, গুগল সার্চ ব্যবহারকারী এবং কোনো প্রযুক্তি ছাড়া নিজের বুদ্ধিতে লেখা। ফলাফলে দেখা যায়, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের মস্তিষ্কের ভাষা ও লেখার দক্ষতা সবচেয়ে কম ছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এমআইটি গবেষণায় ৫৪ জনের মস্তিষ্কের ৩২টি এলাকার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়, যেখানে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সবচেয়ে কম ছিল।
  • 📌 গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারী দল শেষ পর্যন্ত নিজের চিন্তা না করে কপি-পেস্ট করে কাজ শেষ করতেন।
  • 📌 গবেষক নাতালিয়া কসমিনা সতর্ক করেছেন, শিশুদের এআই নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের বিকাশে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
  • 📌 গবেষণায় দেখা যায়, চ্যাটজিপিটি ছাড়া লেখা শিক্ষার্থীরা নিজের লেখায় সৃজনশীলতা দেখিয়েছেন এবং সন্তুষ্ট ছিলেন।
  • 📌 এমআইটি গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মস্তিষ্কের সক্রিয়তা পরীক্ষা করে দেখা যায়, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের মস্তিষ্কের মনোযোগ ও সক্রিয়তা সবচেয়ে কম ছিল।

📰 বিস্তারিত

এমআইটি মিডিয়া ল্যাবের গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ৫৪ জনের মধ্যে তিনটি দল গঠন করা হয়। প্রথম দল চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে, দ্বিতীয় দল গুগল সার্চ ব্যবহার করে এবং তৃতীয় দল কোনো প্রযুক্তি ছাড়া নিজের বুদ্ধিতে লেখা শেষ করে। গবেষকরা বিশেষ ইইজি যন্ত্র ব্যবহার করে তাদের মস্তিষ্কের ৩২টি এলাকার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। ফলাফলে দেখা যায়, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সবচেয়ে কম ছিল। ভাষা ও লেখার দক্ষতায় তারা সবার থেকে পিছিয়ে পড়ছিলেন।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের এসএটি পরীক্ষার মতো প্রবন্ধ লিখতে দেওয়া হয়। চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারী দলের লেখা সবচেয়ে কম সৃজনশীল ছিল। দুজন ইংরেজি শিক্ষক তাদের লেখাকে প্রাণহীন বলে আখ্যা দেন। গবেষকরা দেখেন, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীরা ক্রমেই অলস হয়ে পড়ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজের চিন্তা না করে কপি-পেস্ট করে কাজ শেষ করতেন।

গবেষক নাতালিয়া কসমিনা বলেন, ‘এ ধরনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে শেখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। বিশেষ করে কম বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মতে, কিন্ডারগার্টেন থেকেই শিশুদের চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে এমন সিদ্ধান্ত মারাত্মক ভুল হবে। কারণ, ছোটদের স্বাভাবিক বিকাশমান মস্তিষ্কের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।’

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের আবার একই প্রবন্ধ নতুন করে লিখতে বলা হয়। প্রথম দলকে চ্যাটজিপিটি দেওয়া হয় না, আর দ্বিতীয় দলকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। চ্যাটজিপিটি ছাড়া লিখতে গিয়ে দেখা যায়, প্রথম দলের শিক্ষার্থীরা আগের লেখা জিনিসও মনে রাখতে পারছেন না। তবে দ্বিতীয় দল যখন চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে, তখন তাদের মস্তিষ্কের সংযোগ ও সক্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। এতে গবেষকদের আশা জেগেছে, সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলে এআই মানুষের শেখার ক্ষমতা বাড়াতে পারে।

"আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার জন্য বসে না থেকে এখনই এই গবেষণার তথ্য প্রকাশের কারণ হলো, একটি ভয়। হয়তো আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে কোনো নীতিনির্ধারক হুট করে সিদ্ধান্ত নিয়ে বসবেন যে কিন্ডারগার্টেন থেকেই শিশুদের চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করতে দেওয়া যাক। আমার মতে, এটি হবে মারাত্মক ভুল একটি সিদ্ধান্ত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাতালিয়া কসমিনা (গবেষক), জিশান খান (মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ জন অংশগ্রহণকারী, ৩২টি মস্তিষ্কের এলাকা, ১৮-৩৯ বছর বয়স, ২০ মিনিটের রচনা পরীক্ষা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖