📌 মিশুক মুনীরের স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬ অনুষ্ঠানে বরকত হোসেন পলাশকে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মিশুক মুনীরের স্বতন্ত্র নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সম্প্রচার সাংবাদিকতায় অবদানের কথা তুলে ধরা হয়
মিশুক মুনীরের স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬ অনুষ্ঠানে বরকত হোসেন পলাশকে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে মিশুক মুনীরের স্বতন্ত্র নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সম্প্রচার সাংবাদিকতায় অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বরকত হোসেন পলাশ শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন মিশুক মুনীর স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬-এ।
- 📌 পুরস্কার তুলে দেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবুল খায়ের লিটু।
- 📌 পুরস্কার বিজয়ী বরকত হোসেন পলাশ বলেন, ‘মিশুক মুনীরের মতো পথিকৃৎদের পথ অনুসরণ করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি’।
- 📌 চলচ্চিত্রনির্মাতা আকা রেজা গালিব বলেন, মিশুক মুনীর ছিলেন একজন ক্যামেরাশিল্পী ও সম্প্রচার সাংবাদিকতায় সম্পাদকীয় দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে অবদান রাখেন।
- 📌 সাংবাদিক কুর্রাতুল-আইন-তাহ্মিনা বলেন, ‘মিশুক আমাদের সঙ্গেই থাকে, চিরকাল থাকবে’।
- 📌 মিশুক মুনীরের ভাই আসিফ মুনীর বলেন, ভবিষ্যতেও তাঁর স্মৃতি ও কাজকে সম্মান করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
📰 বিস্তারিত
মিশুক মুনীরের স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬ অনুষ্ঠানে বরকত হোসেন পলাশকে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। লিলি-মুনীর স্মৃতি রক্ষা ট্রাস্ট ও মিশুক মুনীরের পরিবারের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। পুরস্কার প্রদানের সময় বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবুল খায়ের লিটু বলেন, মিশুক মুনীরের রুচিবোধ ও সৃজনশীলতা তাঁকে সর্বদা অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি বলেন, মিশুক মুনীরের কাজ নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
চিত্রগ্রাহক বরকত হোসেন পলাশ পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভূতি প্রকাশ করেন, ‘এত সম্মানজনক একটি পুরস্কার পাওয়ার পর নিজেকে খুব নগণ্য মনে হচ্ছে। মিশুক মুনীরের মতো পথিকৃৎদের পথ অনুসরণ করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’
চলচ্চিত্রনির্মাতা আকা রেজা গালিব বলেন, মিশুক মুনীর ছিলেন একজন ক্যামেরাশিল্পী ও সম্প্রচার সাংবাদিকতায় সম্পাদকীয় দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে অবদান রাখেন। তিনি বিবিসির কাজের অভিজ্ঞতা থেকে উল্লেখ করেন, মিশুক মুনীরের ছিল একটি স্বতন্ত্র নান্দনিক দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন, মিশুক মুনীর বেসরকারি একুশে টেলিভিশনে নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের হাতে-কলমে কাজ শেখানোর ভূমিকা অনন্য ছিল।
সাংবাদিক কুর্রাতুল-আইন-তাহ্মিনা বলেন, ‘মিশুক ছিলেন প্রাণবন্ত মানুষ এবং তাঁর পর্যবেক্ষণশক্তি ছিল অত্যন্ত তীক্ষ্ণ। পেশাগত জীবনে মিশুক আমাকে বড় ভাইয়ের মতো দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং স্বাধীনভাবে ও নির্ভয়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মিশুক আমাদের সঙ্গেই থাকে, চিরকাল থাকবে।’
মিশুক মুনীরের ভাই আসিফ মুনীর বলেন, ‘মিশুকের কাজ ও সৃজনশীল চেতনাকে সম্মান জানানোর লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিশুকের প্রতি যে সম্মান ও ভালোবাসা থেকে অনেকে তাঁদের কাজ নিয়ে এই আয়োজনে আবেদন করেছেন, সেই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও ধরে রাখার চেষ্টা থাকবে।’
"মিশুক আমাদের সঙ্গেই থাকে, চিরকাল থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বরকত হোসেন পলাশ, আবুল খায়ের লিটু, আসিফ মুনীর, আকা রেজা গালিব, কুর্রাতুল-আইন-তাহ্মিনা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬ (পুরস্কার বছর), ২০১১ (মিশুক মুনীরের মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!