📌 দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারকে সহকারী পাইলট হামাম আল-হাম্মামি ছুরিকাঘাত করেন। ওমানের নাগরিক আল-হাম্মামি ওমানের কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন উগ্রবাদী মতাদর্শের কারণে। ফ্লাইটে ১৭৪ জন যাত্রী ছিল। হামলার উদ্দেশ্য ও পাইলটের পেশাজীবনের ইতিহাস নিয়ে তদন্ত চলছে
দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারকে সহকারী পাইলট হামাম আল-হাম্মামি ছুরিকাঘাত করে। এই হামলা সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রশ্ন তুলেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এই ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী অভিযানের’ চেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। হামলাকারী পাইলটের পরিচয় ও তার পেছনের রহস্যের কথা এখনো স্পষ্ট নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হামলাকারী পাইলটের পরিচয়: অভিযুক্ত সহকারী পাইলটের নাম হামাম আল-হাম্মামি, ওমানের নাগরিক। তিনি ওমানের কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন উগ্রবাদী মতাদর্শের কারণে।
- 📌 হামলার বিবরণ: আল-হাম্মামি ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারকে জরুরি কাজে ব্যবহৃত কুঠার দিয়ে আক্রমণ করেন। এরপর তিনি উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
- 📌 ফ্লাইটের অবস্থান: ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উঠে, পরে ১৭ হাজার ফুট নিচে নামতে থাকে।
- 📌 হামলার পরিস্থিতি: ক্যাপ্টেন মছার আহত অবস্থায় ককপিটের মেঝেতে পড়ে যান। যাত্রী ও ক্রুরা হামলাকারী পাইলটকে কাবু করে ফেলে। ফ্লাইট শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় স্থির হয়।
- 📌 তদন্তের অবস্থা: হামলার উদ্দেশ্য ও পাইলটের পেছনের রহস্যের কথা এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, আল-হাম্মামি কি কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সাথে জড়িত ছিলেন?
📰 বিস্তারিত
দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবের উদ্দেশে যাত্রা করা ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এর ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারকে সহকারী পাইলট হামাম আল-হাম্মামি আক্রমণ করেন। এই ঘটনায় ইউএই সরকার হামলাকারী পাইলটকে ‘সন্ত্রাসী অভিযানের’ চেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আল-হাম্মামি জরুরি কাজে ব্যবহৃত একটি কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিথ মছারকে আক্রমণ করেন। এরপর তিনি উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন।
ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার ভারতের নাগরিক। তিনি হামলার সময় আহত হন এবং ককপিটের মেঝেতে পড়ে যান। তিনি পরে নিজেই বর্ণনা দেন যে, তিনি যখন পড়ে ছিলেন, তখন উড়োজাহাজটি দ্রুত নিচে নামছিল। তিনি দরজা খুলে যাত্রীদের সাহায্য নেন। যাত্রী ও ক্রুরা হামলাকারী পাইলটকে কাবু করে ফেলে। ফ্লাইট শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় স্থির হয়।
হামলাকারী পাইলট হামাম আল-হাম্মামি ওমানের নাগরিক। তিনি ওমানের কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন উগ্রবাদী মতাদর্শের কারণে। ওমানের কর্তৃপক্ষ আগে তাঁকে দেশটিতে উড়োজাহাজ চালাতে নিষেধ করেছিল। তবে সেই মতাদর্শের প্রকৃতি এখনো স্পষ্ট নয়। আল-হাম্মামির জন্ম সংযুক্ত আরব আমিরাতে, তার মা সিরীয়। তিনি ওমান এয়ারে সাত বছর কাজ করেছেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ওমান এয়ার ছাড়েন এবং পরবর্তীতে রয়্যাল এয়ার মারোকে যোগ দেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সেখান থেকে চলে যান।
"আমি যখন পড়ে ছিলাম, টের পাচ্ছিলাম উড়োজাহাজটি দ্রুত নিচে নামছে। আমি বুঝেছিলাম, কিছু করার এটাই শেষ সুযোগ।"
— ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার, হামলার পর বর্ণনা দেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দুবাই (ইউএই) থেকে তেল আবিব (ইসরায়েল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামাম আল-হাম্মামি (হামলাকারী পাইলট), ক্যাপ্টেন স্মিথ মছার (ক্যাপ্টেন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৪ জন যাত্রী, ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতা, ১৭ হাজার ফুট নিচে নামা, ১৫ হাজার ফুট স্থির অবস্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!