📌 ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) উপদেষ্টা জেনারেল আলী বালালি জানিয়েছেন, দেশটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদনে সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত হয়ে উঠেছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের 'শাহেদ-১৩৬' ড্রোনকে অনুকরণের দাবি করেছেন এবং বলেছেন, ইরান আর বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি ঘোষণা করেছেন, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত হয়ে উঠেছে। তিনি বলেছেন, ইরান নিজস্বভাবে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে এবং এখন আর বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে পরিচালিত** — ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি জানান, সব ধরনের সরঞ্জাম ও উপাদান দেশেই উৎপাদিত হয় এবং রপ্তানির সক্ষমতা রয়েছে।
- 📌 **যুক্তরাষ্ট্রের 'শাহেদ-১৩৬' ড্রোন অনুকরণের দাবি** — জেনারেল বালালি বলেন, ওয়াশিংটন একই ধরনের ড্রোন নিজস্বভাবে তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা ইরানের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রমাণ।
- 📌 **স্বাধীনতা অর্জনের ঘোষণা** — তিনি বলেন, "যত দিন প্রয়োজন, আমরা লড়াই চালিয়ে যেতে পারি" এবং ইরান ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই।
- 📌 **আইআরজিসির সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি** — মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষা ও নৌক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জন করেছে।
📰 বিস্তারিত
শনিবার (৩ অক্টোবর, ২০২৬) আইআরজিসি উপদেষ্টা জেনারেল আলী বালালি এক বক্তব্যে জানান, ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সব খাতেই স্বায়ত্তশাসিত। তিনি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সব ধরনের স্থাপনা, সরঞ্জাম ও উপাদান দেশেই উৎপাদিত হয় এবং এসব সামগ্রী রপ্তানির সক্ষমতাও রয়েছে। ইরানের অভিজ্ঞতা ও গবেষণাকেন্দ্রের শক্তি ব্যবহার করে দেশটি আকাশ প্রতিরক্ষা, ড্রোন উৎপাদন এবং মহাকাশ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বালালি যুক্তরাষ্ট্রের 'শাহেদ-১৩৬' ড্রোনকে অনুকরণের দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের ব্যাপক গবেষণাকেন্দ্র ও থিঙ্ক ট্যাংক থাকা সত্ত্বেও তারা একই ধরনের প্ল্যাটফর্ম নিজস্বভাবে তৈরি করতে পারেনি। এই দাবি ইরানের প্রযুক্তিগত স্বায়ত্তশাসনের শক্তিকে আরো মজবুত করে তুলেছে।
তিনি আরও বলেন, "যত দিন প্রয়োজন, আমরা লড়াই চালিয়ে যেতে পারি"। ইরান নিজস্ব ধারণা ও সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন অব্যাহত রেখেছে। বালালি জানান, ইরান এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আর বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই।
এই ঘোষণার আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) আইআরজিসির সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি বলেছিলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ, আকাশ প্রতিরক্ষা ও নৌক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন, শত্রুদের জন্য তাদের কিছু "চমক" রয়েছে।
"যত দিন প্রয়োজন, আমরা লড়াই চালিয়ে যেতে পারি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান (আইআরজিসি সদর দপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি, মেজর জেনারেল মোস্তফা ইজাদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৬ (শাহেদ-১৩৬ ড্রোন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!