📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কাজাখস্তানের AI বিপ্লব: কীভাবে দেশটি অঞ্চলবিশেষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে?

কাজাখস্তানের AI বিপ্লব: কীভাবে দেশটি অঞ্চলবিশেষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে?

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কাজাখস্তান AI ও ডিজিটাল বিকাশকে ২০২৬ সালের মূল লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। সরকারি উদ্যোগ, স্কুল-কলেজে AI শিক্ষা, এবং উদ্ভাবনী হাবের মাধ্যমে দেশটি অঞ্চলবিশেষে AI কেন্দ্রে রূপান্তরিত হচ্ছে

কাজাখস্তান AI ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে। দেশটির সার্বভৌম সম্পদ তহবিল সমরুক-কাজিনার পরিচালনা পর্ষদে প্রথমবারের মতো একটি AI প্রোগ্রামকে ভোটাধিকার প্রদান করা হয়েছে, যা দেশের শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ভালো পরিচালনার লক্ষ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৬ ঘোষিত হয়েছে কাজাখস্তানের ডিজিটালায়ন ও AI বছর — সরকারি উদ্যোগে AI শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর ও শক্তি খাতের ডিজিটালায়ন, এবং AI সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৯ সাল পর্যন্ত একটি কর্মসূচি অনুমোদিত হয়েছে।
  • 📌 কাজাখস্তান দ্বিতীয় দেশ হিসেবে (ইউরোপীয় ইউনিয়ন পরে) AI নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করেছে।
  • 📌 আস্তানা হাব — মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম উদ্ভাবনী কেন্দ্র — স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরকে প্রোগ্রামিং, জেনারেটিভ AI, ৩ডি অ্যানিমেশন ও মোশন ডিজাইন শেখানোর জন্য একটি AI মিউজিয়াম পরিচালনা করছে।
  • 📌 টমরো স্কুল প্রোগ্রামে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৫০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ লাভ করেছে। তাদের মধ্যে একজন ক্যাফেটেরিয়া কর্মী এক বছরের শিক্ষার পরে ডেভেলপার হিসেবে চাকরি পেয়েছেন।
  • 📌 কাজাখস্তানের AI উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হলো চীন ও পশ্চিমের উভয় প্রযুক্তির সুবিধা নেওয়া — যা ১৫ বছর আগে ডিজিটাল রূপান্তরের মতো ব্যবসা ও প্রক্রিয়াগুলোকে পরিবর্তন করবে।

📰 বিস্তারিত

কাজাখস্তানের রাষ্ট্রপতি কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ ২০২৬ সালকে ডিজিটালায়ন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বছর হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো AI শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর সংগ্রহ, শক্তি খাত এবং সরকারি পরিষেবাগুলো ডিজিটালায়ন করা। সরকার ২০২৫ সালে একটি AI ও ডিজিটাল বিকাশ মন্ত্রণালয় গঠন করে এবং ২০২৯ সাল পর্যন্ত একটি কর্মসূচি অনুমোদন করেছে, যা স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে AI সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, কর সংগ্রহ ও শক্তি খাতের ডিজিটালায়ন অন্তর্ভুক্ত করে।

কাজাখস্তান দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পরে AI নিয়ন্ত্রণ আইন পাস করেছে। এছাড়াও, দেশের রাজধানী আস্তানার EXPO ভবনে একটি AI মিউজিয়াম চালু হয়েছে, যেখানে দর্শকরা ডিজিটাল ইনস্টলেশন, রোবট এবং AI মডেলের সাথে পরিচিত হতে পারে।

আস্তানা হাব — মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম উদ্ভাবনী কেন্দ্র — স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরকে প্রোগ্রামিং, জেনারেটিভ AI, ৩ডি অ্যানিমেশন ও মোশন ডিজাইন শেখানোর জন্য একটি AI মিউজিয়াম পরিচালনা করছে। এছাড়াও, এই হাবের টমরো স্কুল প্রোগ্রামে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরকে IT কর্মী হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

আস্তানা হাবের পরিচালক ভালেরিয়া তিও বলেছেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পেশা থেকে আসে। তাদের মধ্যে একজন ক্যাফেটেরিয়া কর্মী এক বছরের শিক্ষার পরে ডেভেলপার হিসেবে চাকরি পেয়েছেন। এটি একটি সত্যিকারের সামাজিক লিফট।”

আস্তানা হাবের ২৫,০০০ জনেরও বেশি আবেদনের মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ একটি স্ট্রিক্ট লজিক ও মেমরি গেম খেলে নির্বাচিত হন। এরপর, একটি ইনটেনসিভ চার সপ্তাহের কোর্সের মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা দু’বছরের প্রশিক্ষণে অংশ নেয়।

কাজাখস্তানের AI উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হলো চীন ও পশ্চিমের উভয় প্রযুক্তির সুবিধা নেওয়া। ইনড্রাইভর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ইউরি মিসনিক বলেছেন, “চীন থেকে প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং পশ্চিম থেকে উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে কাজাখস্তান একটি অঞ্চলবিশেষে AI কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। এটি ১৫ বছর আগে ডিজিটাল রূপান্তরের মতো ব্যবসা ও প্রক্রিয়াগুলোকে পরিবর্তন করবে।”

"আমাদের শিক্ষার্থীরা ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী, বিভিন্ন পেশা থেকে আসে। তারা একসময় তাদের পেশা পরিবর্তন করে IT কর্মী হতে চায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কাজাখস্তান (আস্তানা, EXPO ভবন, আস্তানা হাব)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ, ভালেরিয়া তিও, ইউরি মিসনিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ জন (টমরো স্কুলের প্রশিক্ষিত শিক্ষার্থী), ২৫,০০০ জন (আবেদনকারী), ২ শতাংশ (নির্বাচিত শিক্ষার্থী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖