📌 বিএনপির ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন দাবি করেছেন, শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির গোপন যোগসাজশ থাকতে পারে। তিনি বলেছেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে
বিএনপির ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির গোপন যোগসাজশের সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির আদেশের পর থেকে দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোপন যোগসাজশের সন্দেহ: ইশরাক হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির গোপন যোগসাজশ থাকতে পারে।
- 📌 সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্রতা: জুলাই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
- 📌 ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তদন্তের দাবি: তিনি আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খাতের অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বিষয়ে বিশেষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 ১৯৭১ সালের প্রতিনিধিদের নীরবতা: তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির প্রতিনিধিরা ফ্যাসিবাদী নাশকতার বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে।
- 📌 বিএনপির প্রতিশোধ নীতি: তিনি জানান, যেকোনো নাশকতার চেষ্টা বিএনপি কঠোর হাতে প্রতিহত করবে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে’ বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব সমাবেশে ইশরাক হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিরোধীদলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, দেশের জনগণ এসব বক্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে দেশে নতুন করে অস্থিতিশীলতার পাঁয়তারা চলছে। একদিকে বিরোধীদল সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দিচ্ছে, অন্যদিকে দিল্লিতে থাকা শেখ হাসিনা নাশকতার মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছেন, যা তাদের মধ্যে গোপন আঁতাতের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।’
তিনি আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের ফেলে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং পরিবহন খাতের বিপুল অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বিষয়ে বিশেষ তদন্তের দাবি জানান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থ বর্তমানে রাষ্ট্রবিরোধী সহিংসতা ও নাশকতামূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা সরকারের গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’
বিরোধীদলের সাম্প্রতিক ভূমিকার সমালোচনা করে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির প্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে সংসদে এলেও তারা আওয়ামী লীগের তাণ্ডবের বিরুদ্ধে মুখ খুলছে না। উলটো তারা শোভাযাত্রা ও লংমার্চের নামে ব্যস্ত থাকলেও ফ্যাসিবাদী নাশকতার বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে।’
বিএনপি ফ্যাসিবাদের পাহারাদার নয় উল্লেখ করে তিনি জানান, যেকোনো নাশকতার চেষ্টা কঠোর হাতে প্রতিহত করা হবে।
"জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে দেশে নতুন করে অস্থিতিশীলতার পাঁয়তারা চলছে। একদিকে বিরোধীদল সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দিচ্ছে, অন্যদিকে দিল্লিতে থাকা শেখ হাসিনা নাশকতার মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছেন, যা তাদের মধ্যে গোপন আঁতাতের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াপল্টন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ সেপ্টেম্বর (তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!