📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তিনি সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপানোর বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। তিনি সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাহিদ ইসলাম জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
- 📌 তিনি বলেছেন, “সংকট মোকাবিলায় জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপানোর পরিবর্তে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে বিকল্প সমাধান খুঁজতে হবে।”
- 📌 সরকারের দাবি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে।
- 📌 জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চায়।
- 📌 সরকার নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।
- 📌 নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তুলেছেন, “মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধান পর্যন্ত পে স্কেল কেন স্থগিত রাখা হলো না?”
📰 বিস্তারিত
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, “সরকারের নজিরবিহীন অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার খেসারত আবারও দিতে হচ্ছে দেশের ১৮ কোটি মানুষকে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প খুঁজে বের করার পরিবর্তে সরাসরি জনগণের ওপর অসহনীয় বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তৃতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে।
নাহিদ ইসলাম জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরকারের যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, “জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয়সহ নানা যুক্তি দেখাচ্ছে। সরকারের দাবি, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকার ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কর ও শুল্ক আদায় করছে। বর্তমান সংকটের সময়ে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে অন্তত সাময়িকভাবে এসব কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন?”
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও লিখেছেন, “সরকার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চাইছে। অথচ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তে থাকা চাপের মধ্যেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন কেন এত জরুরি হয়ে পড়লো? মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধান পর্যন্ত পে স্কেল কেন স্থগিত রাখা হলো না?”
"অবিলম্বে এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ কোটি (জনসংখ্যা), ৩২ শতাংশ (কর ও শুল্ক), ১০ হাজার কোটি টাকা (সাশ্রয়), ৪৪ হাজার কোটি টাকা (পে স্কেল বরাদ্দ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!