📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এআই বাংলাদেশের কর্মীকে বহুগুণ উৎপাদনশীল করবে: সানি আশরাফ খান

এআই বাংলাদেশের কর্মীকে বহুগুণ উৎপাদনশীল করবে: সানি আশরাফ খান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সানি মো. আশরাফ খান বলেছেন, এআই কর্মসংস্থান কমিয়ে দেবে না বরং কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি করবে। তিনি বলেছেন, এআই-সক্ষম জনশক্তি তৈরি করে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে

বাংলাদেশের একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সানি মো. আশরাফ খান বলেছেন, এআই প্রযুক্তি দেশের কর্মসংস্থানকে হুমকি দেয় না বরং কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি করবে। তিনি মনে করেন, এআই-সক্ষম জনশক্তি তৈরি করে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এআই কর্মসংস্থান কমিয়ে দেবে না, বরং কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বৃদ্ধি করবে বলে মনে করেন সানি আশরাফ খান
  • 📌 একজন এআই-সক্ষম কর্মী আগে ৫ বা ১০ জনের কাজ একাই করতে পারবেন
  • 📌 বাংলাদেশের তরুণদের এআই দক্ষতা দিয়ে বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে
  • 📌 বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত কর্মসূচিতে ৩২ হাজার মানুষ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, যার মধ্যে ৯ হাজার তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী
  • 📌 এআই এজেন্টের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কর্মীরা শুধু লক্ষ্য ঘোষণা করলেই কাজ সম্পন্ন হবে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সানি মো. আশরাফ খান বলেছেন, এআই ও অটোমেশন বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে চাকরি কমিয়ে দিতে পারে। তিনি বলেন, “আশঙ্কাটি একেবারে অমূলক নয়। আমরা যদি কিছু না করি, অটোমেশন অবশ্যই কিছু প্রচলিত কাজের প্রয়োজন কমিয়ে দেবে। কিন্তু প্রযুক্তির ইতিহাস বলছে, প্রযুক্তি শুধু কাজ বিলুপ্ত করে না; কাজের ধরনও বদলে দেয়।” তিনি বলেন, এআই আসার প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন হলো বাংলাদেশের মানুষ কি এআই-সক্ষম হয়ে উঠতে পারে।

সানি আশরাফ খান বলেন, “এআই-সক্ষম জনশক্তি বলতে বোঝায় একজন কর্মী যিনি এআই ব্যবহার করে পেশাগত কাজে বহুগুণ উৎপাদনশীলতা অর্জন করতে পারেন। একজন দরজি এআই দিয়ে পোশাকের নকশা তৈরি ও বাজার বিশ্লেষণ করতে পারেন। একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উৎপাদন পরিকল্পনা, হিসাব, বিপণন কিংবা বিদেশি ক্রেতা খুঁজতে এআই ব্যবহার করতে পারেন। একজন তরুণ কোডিংয়ে বিশেষজ্ঞ না হয়েও এআইয়ের সহায়তায় অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন।”

তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত কর্মসূচির মাধ্যমে ৩২ হাজার মানুষ প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৯ হাজার তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী এবং ৪ হাজার মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপার রয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, প্রশিক্ষণই শেষ কথা নয়; প্রশিক্ষণের পর আয় হচ্ছে কি না, সেটিই আসল। বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত কর্মসূচিতে ১ হাজার স্টার্টআপকে সহায়তা এবং ৩ হাজার উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ নারী।”

সানি আশরাফ খান বলেন, “এআই এজেন্টের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কর্মীরা শুধু লক্ষ্য ঘোষণা করলেই কাজ সম্পন্ন হবে। এআই এজেন্ট আমাদের হয়ে সফটওয়্যার চালাবে, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ও ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করবে। একজন মানুষকে হয়তো এখন পাঁচটি অ্যাপ খুলে ২০টি ধাপ অনুসরণ করে একটি কাজ করতে হয়। ভবিষ্যতে তিনি শুধু তাঁর লক্ষ্যটি বলবেন। তাঁর এআই এজেন্ট প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সফটওয়্যার, তথ্য ও ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করে কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে।”

"আমাদের লক্ষ্য তাই মেশিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা নয়; মেশিনকে কাজে লাগানোর সক্ষমতা তৈরি করা। এআই-সক্ষম জনশক্তি বলতে বোঝায় একজন কর্মী যিনি এআই ব্যবহার করে পেশাগত কাজে বহুগুণ উৎপাদনশীলতা অর্জন করতে পারেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সানি মো. আশরাফ খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ হাজার প্রশিক্ষিত, ৯ হাজার তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী, ৪ হাজার অ্যাপ ডেভেলপার, ৩৬ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖