📌 ইয়েমেনের হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় পেট্রোলের দাম ১০% বৃদ্ধি পেয়েছে। ২৮ বছর বয়সী ট্যাক্সি চালক আহমেদ ইয়াহিয়া বলেছেন, এই বৃদ্ধি দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা ১৮ মিলিয়ন মানুষের জীবন আরও কঠিন করেছে। হুথিরা বলেছে, এটি বৈশ্বিক পেট্রোল দাম বৃদ্ধির কারণে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ ও হুথির দক্ষিণ ইয়েমেন দখলের কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একটি পেট্রোল স্টেশনে, ২৮ বছর বয়সী ট্যাক্সি চালক আহমেদ ইয়াহিয়া তার ট্যাক্সি ১০ লিটার পেট্রোল দিয়ে ভরাট করছেন। তিনি বলেছেন, “আমি প্রথমে ট্যাক্সিকে পেট্রোল দিয়ে ভরাট করি যাতে এটি আমার পরিবারকে খাদ্য দিতে সাহায্য করতে পারে।” ইয়াহিয়া সানার বাইপাসে অবস্থিত একটি পেট্রোল স্টেশনের জানালা থেকে ধুলো মুছে ফেলছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় পেট্রোল দাম ১০% বৃদ্ধি পেয়েছে** — ৪,৭৫০ ইয়েমেনি রিয়াল থেকে ৫,২৫০ ইয়েমেনি রিয়াল (প্রায় ৮.৯০ ডলার থেকে ৯.৮০ ডলার) পর্যন্ত দাম বেড়েছে।
- 📌 **আহমেদ ইয়াহিয়া বলেছেন, “এটি দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের জন্য আরেকটি কষ্টদায়ক আঘাত”** — ১৮ মিলিয়ন মানুষের খাদ্য অপারগতা রয়েছে।
- 📌 **হুথি পেট্রোল কোম্পানি দাবি করেছে, দাম বৃদ্ধি বৈশ্বিক পেট্রোল দাম বৃদ্ধির কারণে** — তবে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ ও হুথির দক্ষিণ ইয়েমেন দখল এই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
- 📌 **ট্রাক চালকদের পথ পরিবর্তন ও লড়াইয়ের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে** — আগে তিন দিনে যাওয়া যেতে থাকা যাত্রা এখন সপ্তাহে এক সপ্তাহ নিতে পারে।
- 📌 **আহমেদ ইয়াহিয়া বলেছেন, “রেন্ট বা খাদ্য? এখন আমাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়”** — খাদ্য খরচ বেড়ে গেছে ৭৫,০০০ থেকে ৮৫,০০০ ইয়েমেনি রিয়াল (১৪০ থেকে ১৫৯ ডলার)।
📰 বিস্তারিত
আহমেদ ইয়াহিয়া, যিনি সানায় ট্যাক্সি চালান, বলেছেন, “আমি এই দাম বৃদ্ধির খবর শুনে চকিত ও হতাশ হয়ে গিয়েছি। আমরা কষ্টে বেঁচে থাকছি, আর এই দাম বৃদ্ধি আমাদের জীবন আরও কঠিন করেছে।” তিনি বলেছেন, ইয়েমেনে ১৮ মিলিয়ন মানুষের খাদ্য অপারগতা রয়েছে, এবং এই দাম বৃদ্ধি তাদের জীবনকে আরও কষ্টসাধ্য করেছে।
হুথি-নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেন পেট্রোল কোম্পানি বলেছে, দাম বৃদ্ধি বৈশ্বিক পেট্রোল দাম বৃদ্ধির কারণে। তবে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব ও হুথির দক্ষিণ ইয়েমেন দখলের কারণে এই দাম বৃদ্ধি হয়েছে। হুথিরা বলেছে, এটি একটি “অস্থায়ী” পদক্ষেপ।
আহমেদ ইয়াহিয়া, যিনি তিন সন্তানের বাবা, বলেছেন, “আমাদের পরিবার মাসে প্রায় ৭৫,০০০ ইয়েমেনি রিয়াল (১৪০ ডলার) খাদ্য খরচে ব্যয় করি। পেট্রোল দাম বৃদ্ধির কারণে, একই খাদ্য সামগ্রী কিনতে আমাদের ৮৫,০০০ ইয়েমেনি রিয়াল (১৫৯ ডলার) লাগবে।” তিনি বলেছেন, “আমার পরিবার খাদ্য ও বাসা-বাড়ির খরচে কষ্ট পাচ্ছে। এখন আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়, কি খাদ্য কিনব বা রেন্ট দিব।”
ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে। ট্রাক চালকরা লড়াইয়ের এলাকা এড়িয়ে চলার কারণে, আগে তিন দিনে যাওয়া যেতে থাকা যাত্রা এখন সপ্তাহে এক সপ্তাহ নিতে পারে। সানার একটি দোকানদার সালেহ আব্দুল্লাহ বলেছেন, “পেট্রোল দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে, যা গ্রাহকদের উপর প্রভাব ফেলছে। এখন কোনো পরিবারই এই সমস্যা থেকে বাঁচতে পারছে না।”
"আমি প্রথমে ট্যাক্সিকে পেট্রোল দিয়ে ভরাট করি যাতে এটি আমার পরিবারকে খাদ্য দিতে সাহায্য করতে পারে।"
"এটি দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের জন্য আরেকটি কষ্টদায়ক আঘাত।"
"আমাদের পরিবার খাদ্য ও বাসা-বাড়ির খরচে কষ্ট পাচ্ছে। এখন আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়, কি খাদ্য কিনব বা রেন্ট দিব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সানা, ইয়েমেন (হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমেদ ইয়াহিয়া (ট্যাক্সি চালক), সালেহ আব্দুল্লাহ (দোকানদার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লিটার পেট্রোল, ১৮ মিলিয়ন খাদ্য অপারগ মানুষ, ৭৫,০০০ থেকে ৮৫,০০০ ইয়েমেনি রিয়াল খাদ্য খরচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!