📌 সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা উপজেলায় মাটির ঘর বিলুপ্তির পথে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন আরামদায়ক মাটির ঘর থেকে টিন-ইটের বাড়িতে অভ্যস্ত হচ্ছে মানুষ। শুধু দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আড়াঙ্গাইল গ্রামে এখনও বাস করছেন মাটির ঘরে দুই পরিবার
সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর আধুনিকতার জোরে বিলুপ্তির পথে। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে এই ঐতিহ্যবাহী বাসস্থান। রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা উপজেলার গ্রামগুলোতে এখনও মাটির ঘরের ছাপ রয়েছে, তবে বর্তমান প্রজন্মের কাছে এগুলো আর আকর্ষণীয় নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জের ২৪৮টি গ্রামের মধ্যে শুধুমাত্র দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আড়াঙ্গাইল গ্রামে এখনও বাস করছেন মাটির ঘরে শতবর্ষীয় বসতঘর।
- 📌 রহিম উদ্দিন (৬৫) ও হানিফ মোল্লা (৬৭) তাদের পরিবার নিয়ে এখনও বসবাস করছেন ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘরে।
- 📌 বৃষ্টি বা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত না হলে মাটির ঘর অনেক বছর টিকে থাকতে পারে বলে জানান তারা।
- 📌 আধুনিক জীবনযাপনের ইচ্ছা ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে মানুষ মাটির ঘর ভেঙে টিন-ইটের বাড়ি তৈরি করছে।
- 📌 রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের মৌহার গ্রামের আসলামও মাটির ঘরের বিলুপ্তির কথা উল্লেখ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে। একসময় এই এলাকার ধনী-গরিব সবাই মাটির ঘরে বসবাস করতেন। তবে বর্তমানে মানুষের জীবনযাপনের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে টিন ও ইটের পাকা-আধাপাকা বাড়ি তৈরি করা শুরু হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলার আট ইউনিয়নের মধ্যে দেশীগ্রাম ইউনিয়নের আড়াঙ্গাইল গ্রামে এখনও পাশাপাশি দুটি পরিবারে শত বছরের পুরাতন তিনটি মাটির দেয়ালের খড়ের চালের বসতঘর রয়েছে। এই গ্রামে বসবাসকারী রহিম উদ্দিন (৬৫) ও হানিফ মোল্লা (৬৭) তাদের পরিবার নিয়ে এখনও ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘরে বাস করছেন। তারা জানান, বৃষ্টি বা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত না হলে এসব ঘর অনেক বছর পর্যন্ত টিকে থাকে।
রহিম উদ্দিন ও হানিফ মোল্লা বলেন, একসময় এই এলাকার সবাই মাটির ঘরে বসবাস করতেন। তবে বর্তমানে মানুষের আধুনিক জীবনযাপনের ইচ্ছা ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবাই মাটির ঘর ভেঙে টিন আর ইটের পাকা-আধাপাকা বাড়ি তৈরি করেছেন।
"আরামদায়ক মাটির ঘরে দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি বিত্তবানরাও একসময় পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, তাড়াশ, সলঙ্গা উপজেলা, আড়াঙ্গাইল গ্রাম, সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রহিম উদ্দিন (৬৫), হানিফ মোল্লা (৬৭), আসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪৮টি গ্রাম, ৬৫ বছর, ৬৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!