📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এআই: ইংরেজির মতো দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে প্রতিযোগিতা করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

এআই: ইংরেজির মতো দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে প্রতিযোগিতা করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ৮৬% ব্যবসায় এআইকে মূলধারায় নিয়ে আসবে। সিঙ্গাপুর এআই দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ২০০টিরও বেশি কোর্স চালু করেছে এবং কর্মীদের এআই টুল ব্যবহারে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই-দক্ষতা শুধু প্রশিক্ষণেই নয়, নিয়মিত ব্যবহারে বিকশিত হবে

বিশ্ব অর্থনীতিতে ইংরেজি ভাষার মতোই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। সিঙ্গাপুরের মতো দেশ এআইকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে গ্রহণ করে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ৮৬ শতাংশ ব্যবসায় এআই ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবসায়িক পরিবর্তন আনবে। এতে কর্মীদের বর্তমান দক্ষতার ৩৯ শতাংশ পরিবর্তিত বা অপ্রচলিত হয়ে যেতে পারে। প্রতি ১০০ কর্মীর মধ্যে ৫৯ জনেরই নতুন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিঙ্গাপুর ২০০টিরও বেশি এআই কোর্স চালু করেছে; ১৮ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকরা এআই টুল ব্যবহারে প্রশিক্ষণ পাবে
  • 📌 প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং বলেছেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রে নাগরিকদের এআই দক্ষতা অর্জনের জন্য এই উদ্যোগ
  • 📌 গবেষণায় দেখা গেছে, এআই সহায়তা ব্যবহারকারী কর্মীরা সপ্তাহে প্রায় দুই ঘণ্টা কম ই-মেইলে ব্যয় করেন
  • 📌 লিংকডইনের তথ্য: ২০২৩ সালে এআই-সংশ্লিষ্ট দক্ষতা যুক্ত করা সদস্যদের সংখ্যা ১৭৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 সিঙ্গাপুর ‘এআই রেডি কুইজ’ চালু করেছে; এআই দক্ষতা তিন স্তরে পরিমাপ করা হয়: অ্যাওয়ার, লিটারেট ও ফ্লুয়েন্ট

📰 বিস্তারিত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, উদ্যোক্তা বা ব্যাংকারদের জন্য ইংরেজি ভাষা ছিল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অপরিহার্য। কিন্তু এখন সেই জায়গায় এআই দাবি করছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ৮৬ শতাংশ ব্যবসায় এআই ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবসায়িক পরিবর্তন আনবে। এতে কর্মীদের বর্তমান দক্ষতার ৩৯ শতাংশ পরিবর্তিত বা অপ্রচলিত হয়ে যেতে পারে। প্রতি ১০০ কর্মীর মধ্যে ৫৯ জনেরই নতুন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে। এআই ও বিগ ডেটাকে ইতিমধ্যে নিয়োগদাতাদের সবচেয়ে দ্রুত বিকাশমান দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর এআই দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এগিয়ে এসেছে। দেশটির স্কিলস অ্যান্ড ওয়ার্কফোর্স ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি ২০০টিরও বেশি এআই কোর্সের একটি ক্যাটালগ চালু করেছে। নির্বাচিত কোর্স সম্পন্ন করা ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সিঙ্গাপুরের নাগরিকেরা ছয় মাসের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস বা গুগল এআই প্রোর মতো প্রিমিয়াম এআই টুল ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং বলেছেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রের জন্য নাগরিকদের এআই দক্ষতা অর্জনের উদ্যোগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু এআই সম্পর্কে বক্তৃতা বা স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ যথেষ্ট নয়। নিয়মিত ব্যবহারের মধ্যেই এআই-দক্ষতা তৈরি হবে। বর্তমানে অনেকেই চ্যাটজিপিটিকে প্রশ্ন করা, ই-মেইল পুনর্লিখন, নথি সংক্ষেপ করা বা ছবি তৈরির মতো সাধারণ কাজে ব্যবহার করছেন। কিন্তু এআই-ফ্লুয়েন্সি হলো কাজ শুরু করার আগেই চিন্তা করা—এআই কীভাবে কাজটিকে আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারে। গবেষণায় ৬৬টি প্রতিষ্ঠানের ৭ হাজার ১৩৭ জন জ্ঞানভিত্তিক কর্মীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, দৈনন্দিন কাজে এআই সহকারী ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া কর্মীরা সপ্তাহে প্রায় দুই ঘণ্টা কম ই-মেইলে ব্যয় করেছেন।

লিংকডইনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের পর এর সদস্যদের যুক্ত করা এআই-সংশ্লিষ্ট দক্ষতা ১৭৭ শতাংশ বেড়েছে। সিঙ্গাপুর এআই-দক্ষতা পরিমাপের উদ্যোগও নিয়েছে। ‘এআই রেডি কুইজ’ নামের ১৫ থেকে ২০ মিনিটের পরীক্ষায় ব্যবহারকারীদের ‘এআই অ্যাওয়ার’, ‘এআই লিটারেট’ ও ‘এআই ফ্লুয়েন্ট’—এই তিন স্তরে মূল্যায়ন করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এআই-দক্ষতা যেন নতুন সামাজিক বিভাজন তৈরি না করে, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। ভবিষ্যতে এআই ব্যবহারের সক্ষমতা হয়তো ইন্টারনেট ব্যবহারের মতোই সাধারণ একটি দক্ষতায় পরিণত হবে।

"দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রের জন্য নাগরিকদের প্রস্তুত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিঙ্গাপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৬ শতাংশ (ব্যবসায়ে এআই প্রভাব), ৩৯ শতাংশ (কর্মীদের দক্ষতা পরিবর্তন), ৫৯ জন (প্রতি ১০০ কর্মীর মধ্যে), ২০০টি (এআই কোর্স), ১৮ বছর (বয়স সীমা), ৬৬টি (প্রতিষ্ঠান), ৭ হাজার ১৩৭ জন (কর্মী), ১৭৭ শতাংশ (এআই দক্ষতা বৃদ্ধি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖