📌 শিশুসাহিত্যিক ও গীতিকার আখতার হুসেনের স্মৃতিতে খেলাঘর কার্যালয়ে সভায় অংশগ্রহণকারীরা তাঁর গান-ছড়ায় বেঁচে থাকার আহ্বান জানান। ৮১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণকারী আখতার হুসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সভায় গান পরিবেশিত ও ছড়া পাঠ করা হয়
শিশুসাহিত্যিক, গীতিকার ও শিশু সংগঠক আখতার হুসেনের স্মৃতিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের খেলাঘর কার্যালয়ে শোকসভা আয়োজিত হয়। শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশগ্রহণকারীরা তাঁর গান ও ছড়ায় বেঁচে থাকার আহ্বান জানিয়ে আবেগাপ্লুত হন। আখতার হুসেন গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৮১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আখতার হুসেনের স্মৃতিতে খেলাঘর কার্যালয়ে সভায় অংশগ্রহণকারীরা তাঁর গান-ছড়ায় বেঁচে থাকার আহ্বান জানান
- 📌 ৮১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণকারী আখতার হুসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়
- 📌 স্মৃতিচারণায় উঠে আসে তাঁর গোপনে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য অর্থ সাহায্য দেওয়ার ইতিহাস
- 📌 বাংলা একাডেমি পুরস্কারের অর্থ তিনি নারায়ণগঞ্জের এক দরিদ্র পরিবারের কন্যাশিশুর পড়াশোনার জন্য ব্যয় করেছিলেন
- 📌 খেলাঘরের কর্মীদের প্রতি ভালোবাসা ছিল আখতার হুসেনের, এমনকি তাদের বাড়িতে খোঁজখবর নিতেন
📰 বিস্তারিত
শোকসভায় খেলাঘরের সাথিরা মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে দুটি গান পরিবেশন করেন। প্রথমটি ছিল রবীন্দ্রসংগীত ‘তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম’। দ্বিতীয় গানটি ছিল আখতার হুসেনের লেখা ‘আমরা তো সৈনিক শান্তির সৈনিক, অক্ষয় উজ্জ্বল সূর্য’। এই গানটি খেলাঘরের দলীয় সংগীত। সভাপতিত্ব করেন খেলাঘরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক। সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সম্পাদক ফারুক মহসীন।
আলোচকদের কথায় উঠে এল যে, আখতার হুসেন খেলাঘরের প্রতিষ্ঠাকালের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তাঁর সাহিত্য, আদর্শ ও সাংগঠনিক দক্ষতা থেকে ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন দিক আলোচিত হয়। খেলাঘরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা সুলতান বলেন, আখতার হুসেনের লেখা গান ও ছড়া খেলাঘরের লক্ষ্য আদর্শ প্রকাশের মাধ্যম ছিল। তিনি এসব গান সংগ্রহ ও প্রসারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খেলাঘর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আলী ইদ্রিস বলেন, আখতার হুসেন খেলাঘর সংগঠনকে দেশের প্রধান শিশু-কিশোর সংগঠনে পরিণত করতে অবদান রেখেছিলেন। তবে তাঁর শিশু সংগঠক হিসেবে অসামান্য ভূমিকা তেমন আলোচিত হয়নি। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল আজিজ জানান, আখতার হুসেন খেলাঘরের দ্বিধাবিভক্ত অবস্থায় কষ্ট পেয়েছিলেন। তিনি ঐক্যের চেষ্টা করতেন এবং শিশুদের জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংগঠনকে নতুন করে জাগিয়ে তোলার কথা ভাবতেন।
সুরকার সেলিম রেজা বলেন, আখতার হুসেনকে ভুলে যাওয়া যায় না। তিনি খেলাঘরের কর্মীদের মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যদেরও সহজে মিশে গিয়ে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনি ‘সেতু গড়ি চলো, সেতু গড়ি’ ও ‘মেলা লেগেছে মেলা’ গান দুটির সুরারোপের স্মৃতিচারণ করেন।
"আখতার হুসেন বেঁচে থাকবেন তাঁর ছড়ায়, গানে। বেঁচে থাকবেন নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার জন্য তাঁর নিবেদিতপ্রাণ প্রচেষ্টায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আখতার হুসেন, কাজী মোজাম্মেল হক, মারুফ হোসেন, তাহমিনা সুলতান, আলী ইদ্রিস, আবদুল আজিজ, সেলিম রেজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১ বছর (বয়স), ২৪ সেপ্টেম্বর (মৃত্যু তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!