📌 স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সুইপার কলোনিতে বসবাসরত ৬০টি হরিজন পরিবারের ১০৮ নাগরিক উচ্ছেদ নোটিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ সংবিধান ও মানবাধিকার লঙ্ঘন
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সুইপার কলোনিতে বসবাসরত হরিজন সম্প্রদায়ের ৬০টি পরিবারের ১০৮ নাগরিক উচ্ছেদ নোটিশের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তারা দাবি করেছেন, বিকল্প আবাসন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে এই উচ্ছেদ সংবিধান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের লঙ্ঘন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৬৮ বছর ধরে সুইপার কলোনিতে বসবাসরত ৬০টি পরিবারের ৪২ জন সন্তান পড়াশোনা করছে
- 📌 হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ নোটিশ জারি করে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ কেটে দেবার সিদ্ধান্ত নেয়েছে
- 📌 ৩১ জন সরকারি কর্মী, ২৮ জন অবসরপ্রাপ্ত ও ১৯ জন আউটসোর্সিং কর্মী উচ্ছেদের শিকার হতে পারে
- 📌 নাগরিকেরা দাবি করেছেন, জোরপূর্বক উচ্ছেদ সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের লঙ্ঘন
- 📌 সিটি করপোরেশন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উচ্ছেদ নোটিশ স্থগিতের দাবি জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের মেনিয়ালস কোয়ার্টারে অবস্থিত সুইপার কলোনিতে ১৬৮ বছর ধরে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করছে। এই কলোনিতে বর্তমানে ৪টি মুসলিম পরিবারসহ মোট ৬০টি পরিবার বসবাস করছে। এদের মধ্যে ৪২ জন সন্তান বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এক প্রশাসনিক নোটিশে কলোনি খালি করার চূড়ান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ কেটে দেওয়া হবে এবং ভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, বাসিন্দাদের জন্য কোনো পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করা হয়নি। নোটিশ পেয়ে বাসিন্দারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাগরিকেরা বলেছেন, ‘উচ্ছেদ সংবিধান ও মানবাধিকারের পরিপন্থী’। তারা উল্লেখ করেছেন, সংবিধানে নাগরিকদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া কাউকে জোর করে উচ্ছেদ করা যাবে না। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদেও ‘জোরপূর্বক উচ্ছেদ’ মানবাধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত।
"উপযুক্ত পুনর্বাসন ছাড়া এই উচ্ছেদ সংবিধান, সুপ্রিম কোর্টের নজির এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সুইপার কলোনি, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ১০৮ নাগরিক (আনু মুহাম্মদ, সামিনা লুৎফা, মেঘনা গুহঠাকুরতা, সারা হোসেন, জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, খুশী কবির, শিরীন পারভিন হক, মোশাহিদা সুলতানা, মুশতাক হোসেন, রেহনুমা আহমেদ, জামসেদ আনোয়ার তপন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৮ বছর (কলোনিতে বসবাস), ৬০টি পরিবার, ৪২ জন সন্তান, ৩১ জন সরকারি কর্মী, ২৮ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, ১৯ জন আউটসোর্সিং কর্মী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!