📌 ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো তার ক্যারিয়ারে একাধিক কোচের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন। জর্জ জেসুস থেকে শুরু করে জোসে মোরিনহো, টেন হ্যাগ পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে সংঘাতের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। কোচের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি প্রায়ই জাতীয় দল ও ক্লাব উভয় জায়গাতেই বিরোধের শিকার হন
ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো তার ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিক কোচের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন। এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের সঙ্গে সংঘাতের ইতিহাস শুরু হয় জর্জ জেসুসের সঙ্গে, কিন্তু এর আগেও জোসে মোরিনহো, রাফায়েল বেনিতেজ এবং এরিক টেন হ্যাগের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তিক্ত হয়ে পড়েছে। কোচের কৌশল, একাদশে জায়গা না পাওয়া বা সরাসরি প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশের মাধ্যমে এই বিরোধগুলি প্রকাশ পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জর্জ জেসুসর সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয় পর্তুগালের নেশনস লিগ ম্যাচে রোনাল্ডোকে প্রথম একাদশে না রাখার সিদ্ধান্তে।
- 📌 ৪১ বছর বয়সী রোনাল্ডো রিয়াল মাদ্রিদ থাকাকালে জোসে মোরিনহোর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। মোরিনহো সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেন এবং সহকারী কোচের মাধ্যমে নির্দেশনা দিতেন।
- 📌 রাফায়েল বেনিতেজর কোচিং স্টাইলে সন্তুষ্ট ছিলেন না রোনাল্ডো। ২০১৫ সালে কার্লো আনচেলত্তির বিদায়ের পর বেনিতেজের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- 📌 ২০২২ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে রোনাল্ডোকে প্রথম একাদশে রাখেননি তৎকালীন পর্তুগাল কোচ ফার্নান্দো সান্তোস। এই সিদ্ধান্তে রোনাল্ডোর স্ত্রী জর্জিনা রড্রিগেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
- 📌 এরিক টেন হ্যাগর সঙ্গে রোনাল্ডোর বিরোধ সর্বাধিক আলোচিত। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে তিনি ১৮ গোল করেন, কিন্তু পরের মৌসুমে কোচের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামতে অস্বীকৃতি জানানোর পাশাপাশি খেলা শেষ হওয়ার আগেই টানেলে চলে যান।
- 📌 টেন হ্যাগের বিরুদ্ধে রোনাল্ডো ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মর্গানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইউনাইটেড কোচের প্রতি তাঁর কোনো শ্রদ্ধা নেই। সেই ঘটনার পর তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ত্যাগ করে সৌদি আরবের আল নাসর ক্লাবে যোগ দেন।
📰 বিস্তারিত
ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর কোচের বিরোধের ইতিহাসে জর্জ জেসুসের নাম সর্বশেষ আলোচিত হয়েছে। পর্তুগালের জাতীয় দলের কোচ জেসুস রোনাল্ডোকে নেশনস লিগের ম্যাচে প্রথম একাদশে না রাখার সিদ্ধান্ত নেন। এই সিদ্ধান্তে রোনাল্ডো অসন্তুষ্ট হয়ে জাতীয় দলের শিবির ছাড়েন। তবে এই বিরোধই রোনাল্ডোর একাকী ঘটনা নয়। তার ক্যারিয়ারে কোচের সঙ্গে বিরোধের ইতিহাস রয়েছে।
রিয়াল মাদ্রিদে থাকাকালে রোনাল্ডোর সঙ্গে জোসে মোরিনহোর সম্পর্ক তিক্ত হয়ে পড়ে। মোরিনহো সরাসরি রোনাল্ডোর সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেন এবং সহকারী কোচের মাধ্যমে নির্দেশনা দিতেন। এই বিরোধের কারণে রোনাল্ডো মোরিনহোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
২০১৫ সালে কার্লো আনচেলত্তির বিদায়ের পর রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব নেন রাফায়েল বেনিতেজ। কিন্তু রোনাল্ডো বেনিতেজের কোচিং স্টাইলে সন্তুষ্ট ছিলেন না। কোচের পরিকল্পনা নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি তখন প্রকাশ্যে আলোচিত হয়। জাতীয় দলেও কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে রোনাল্ডো ক্ষুব্ধ ছিলেন। ২০২২ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রোনাল্ডোকে প্রথম একাদশে রাখেননি তৎকালীন পর্তুগাল কোচ ফার্নান্দো সান্তোস। এই সিদ্ধান্তে রোনাল্ডোর স্ত্রী জর্জিনা রড্রিগেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
রোনাল্ডোর কোচের বিরোধের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হলো এরিক টেন হ্যাগের সঙ্গে তার বিরোধ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে রোনাল্ডো ১৮ গোল করেন, কিন্তু পরের মৌসুমে কোচের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নামতে অস্বীকৃতি জানানোর পাশাপাশি খেলা শেষ হওয়ার আগেই টানেলে চলে যান। এই ঘটনার পর তিনি ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মর্গানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টেন হ্যাগের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইউনাইটেড কোচের প্রতি তাঁর কোনো শ্রদ্ধা নেই। সেই ঘটনার পর তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ত্যাগ করে সৌদি আরবের আল নাসর ক্লাবে যোগ দেন।
"কোচের কৌশল নিয়ে অসন্তোষ, একাদশে জায়গা না পাওয়া, আবার কখনো সরাসরি প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পর্তুগাল জাতীয় দল, রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, সৌদি আরবের আল নাসর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, জর্জ জেসুস, জোসে মোরিনহো, রাফায়েল বেনিতেজ, এরিক টেন হ্যাগ, ফার্নান্দো সান্তোস, জর্জিনা রড্রিগেজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ বছর, ১৮ গোল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!