📌 জয়পুরহাট জেলা ছাত্রদল জেলা প্রশাসককে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের আলটিমেটাম দিয়েছে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে ব্যানারে জিয়ার ছবি না থাকা এবং এক বক্তা শেখ মুজিবকে 'জাতির পিতা' বলে সম্বোধন করায় হট্টগোলের ঘটনা ঘটে
জয়পুরহাট জেলা প্রশাসককে অপসারণের আলটিমেটাম দিয়েছে জেলা ছাত্রদল। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা এবং এক বক্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে বারবার 'জাতির পিতা' বলে সম্বোধন করায় সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় জেলা প্রশাসককে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেলা ছাত্রদল ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার অপসারণের দাবি করেছে
- 📌 জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় প্রথম দফায় অসন্তোষ সৃষ্টি হয়
- 📌 এক বক্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির পিতা' বলে সম্বোধন করায় দ্বিতীয় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়
- 📌 জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান, কিন্তু জেলা ছাত্রদল দাবি অব্যাহত রাখছে
- 📌 জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
জয়পুরহাট জেলা ছাত্রদল গতকাল শনিবার রাতে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জেলা প্রশাসককে অপসারণের আলটিমেটাম দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি রাখা হয়নি। এছাড়া এক বক্তা বারবার শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সম্বোধন করলেও জেলা প্রশাসক নীরব ভূমিকা পালন করেন। এসব ঘটনায় জেলা ছাত্রদল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম। সভাপতি গোলাম মাহফুজ শুভ মোবাইল ফোনে বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবি করে এ জন্য সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, ব্যানারটি জেলা প্রশাসক নিজেই নির্ধারণ করেছিলেন। তবে তারা আগে ব্যানার সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। অনুষ্ঠানে এসে সেটি টাঙানো অবস্থায় দেখেছেন। এ বিষয়ে জানতে আজ রোববার সকালে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার সরকারি মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গতকাল শনিবার সকালে জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় প্রথম দফায় অসন্তোষ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ব্যানারে তাঁর ছবি সংযুক্ত করে অনুষ্ঠান শুরু করা হলেও এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
"জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবি করে এ জন্য সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া, সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!