📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিরাজগঞ্জের যমুনা চর: বন্যা শেষে বাদাম চাষে বাম্পার আশা, ৫৯০০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা

সিরাজগঞ্জের যমুনা চর: বন্যা শেষে বাদাম চাষে বাম্পার আশা, ৫৯০০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের যমুনা চরাঞ্চলে বন্যা শেষে কৃষকরা আগেভাগেই বাদাম চাষ শুরু করেছেন। ৫৯০০ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা রেখে ইতিমধ্যে ৭৫০ হেক্টর জমিতে বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা বন্যার আশঙ্কা কমে গেলে অধিক লাভের আশায় চাষে জোর দিচ্ছেন

সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা চরাঞ্চলে বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় কৃষকরা আগেভাগেই বাদাম চাষ শুরু করেছেন। বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। ইতিমধ্যে ৭৫০ হেক্টর জমিতে বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকদের মতে, এবছর বন্যা কম হওয়ায় চাষের সুযোগ বেশি পেয়েছে এবং অধিক লাভের আশা করছেন তারা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিরাজগঞ্জ জেলায় বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে নির্ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 ইতিমধ্যে ৭৫০ হেক্টর জমিতে বাদাম বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে
  • 📌 চৌহালি ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি বাদাম চাষ হয়ে থাকে
  • 📌 কৃষকরা বন্যা কমে গেলে অধিক লাভের আশায় চাষে জোর দিচ্ছেন
  • 📌 সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ১৫০ হেক্টর

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা চরাঞ্চলে বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় কৃষকরা আগেভাগেই বাদাম চাষ শুরু করেছেন। সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবছর জেলায় বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। ইতিমধ্যে ৭৫০ হেক্টর জমিতে বাদাম বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে।

কাজিপুর, চৌহালি, শাহজাদপুর, বেলকুচি ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন চরে বাদাম চাষ হয়ে থাকে। এর মধ্যে চৌহালি ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি চাষ হয়ে থাকে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কাওয়াখোলার চর, চৌহালী উপজেলার খাসকাউলিয়া ঘোড়যান, হাটঘোরজান, ধিৎপুর চরসহ বেলকুচি উপজেলার বেলকুচি চর, চরবেল, ক্ষিদ্রচাপরী, আজগড়া, রতনকান্দীসহ বিভিন্ন চরে কৃষকরা বাদাম চাষে ব্যস্ত।

চৌহালি উপজেলার বাঘুটিয়া চরের কৃষক আলীম জানান, গতবারের চেয়ে এবার বাদাম চাষে বেশি লাভবান হওয়ার আশা করছেন। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বেলুটিয়া চরের বাদাম চাষি বিশা শেখ ও কৃষক আব্দুর রহমান জানান, এবারে তেমন বন্যা হয়নি। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে তারা বাদাম চাষ শুরু করেছেন। অনেকের জমিতে বাদামের চারা গজিয়ে উঠেছে এবং চারাগুলো খুব ভালো অবস্থায় রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাসিম হোসেন বলেন, এ বছর সদর উপজেলা যমুনার চরাঞ্চলে বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে। তিনি বলেন, এবছর বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় কৃষকরা আগে থেকেই বাদাম চাষ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যেই অনেক জমিতে বাদামের চারা গজিয়ে উঠেছে।

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা জানান, এ বছর জেলায় বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে। ইতিমধ্যে বাদাম বীজ বপন শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, যমুনা চরের কৃষকরা প্রতি বছরই বাদাম চাষ করে থাকেন। এবছরও তারা বাদাম চাষ শুরু করেছেন। কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নানা পরামর্শ দিচ্ছেন। আবহাওয়া অনুকুল থাকলে এবার জেলায় বাদামের বাম্পার ফলনের আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

"গতবারের চেয়ে এবার বাদাম চাষে বেশি লাভবান হবো"
"বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথেই আমরা বাদাম চাষ শুরু করেছি। অনেকের জমিতে বাদামের চারা গজিয়ে উঠেছে। চারাগুলো খুবই ভালো হয়েছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা (কাজিপুর, চৌহালি, শাহজাদপুর, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলীম, বিশা শেখ, আব্দুর রহমান, এস এম নাসিম হোসেন, এ কে এম মঞ্জুরে মওলা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার ৯০০ হেক্টর (বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা), ৭৫০ হেক্টর (বপন সম্পন্ন জমি), ১ হাজার ১৫০ হেক্টর (সদর উপজেলার লক্ষ্যমাত্রা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖