📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলেন সোনিয়া গান্ধী: ধর্মনিরপেক্ষতার লড়াইয়ের স্মৃতি

বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে কেঁদেছিলেন সোনিয়া গান্ধী: ধর্মনিরপেক্ষতার লড়াইয়ের স্মৃতি

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের বিরোধী নেতা সোনিয়া গান্ধী দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে তিনি কেঁদে গিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই ঘটনা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার লড়াইয়ের প্রতীক। বিজেপি নেতা সোনিয়া গান্ধীকে 'হিন্দু বিরোধী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন

ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা সোনিয়া গান্ধী ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখার সময় কেঁদে গিয়েছিলেন। তিনি দ্য গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, এই ঘটনা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের প্রতীক। সোনিয়া গান্ধী বলেছেন, মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরুর স্বপ্নের ভারত রক্ষার জন্য এই সময়ের ভারতকে কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সোনিয়া গান্ধী দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বাবরি মসজিদ ভাঙার দৃশ্য দেখে তিনি কেঁদে গিয়েছিলেন এবং ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার লড়াইয়ের স্মৃতি তুলে ধরেছেন।
  • 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, উগ্রহিন্দুত্ববাদীদের দ্বারা ১৯৯২ সালে মসজিদ ভাঙার দায়িত্বে ছিল বিজেপি এবং এই ঘটনা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রতীক।
  • 📌 সোনিয়া গান্ধী স্বীকার করেছেন, কংগ্রেসের ভূমিকাও ছিল এই উগ্রপন্থী উত্থানের পেছনে।
  • 📌 বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি এক্সে পোস্ট করে সোনিয়া গান্ধীকে 'বাবরপন্থি' ও 'ভগবান রাম বিরোধী' আখ্যায়িত করেছেন এবং কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক কমে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন।
  • 📌 ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদি বাবরি মসজিদের জায়গায় রামমন্দির নির্মাণ করে বিজেপির প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন।

📰 বিস্তারিত

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছিল। সেই দৃশ্য টেলিভিশনে দেখার সময় সোনিয়া গান্ধী কেঁদে গিয়েছিলেন। তিনি দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, “বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখার সময় আমি কেঁদে দেই। এর মাধ্যমে আমি বুঝতে পারি ভারতের সামনে তার ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য দীর্ঘ লড়াই সামনে রয়েছে।”

সোনিয়া গান্ধী উল্লেখ করেছেন, মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু এবং তাদের সহকর্মীদের স্বপ্নের ভারত রক্ষার জন্য এই সময়ের ভারতকে কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়েছে। তিনি বলেছেন, “আমি বুঝতে পারি মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু এবং তার সহকর্মীরা যে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন সেটি রক্ষায় ভারত কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হচ্ছিল।”

বাবরি মসজিদ ভাঙার ঘটনায় উগ্রপন্থিদের মধ্যে রামজন্মভূমি আন্দোলন বিস্তৃত ছিল। সোনিয়া গান্ধী উল্লেখ করেছেন, বাবরি মসজিদের নিচে প্রাচীন মন্দির আছে এমন অভিযোগ তুলে এটি ভেঙে ফেলা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই কাজে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির হাত ছিল।

বাবরি মসজিদ ভাঙার জেরে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় দ্বন্দ্ব বাধে। বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল বাবরি মসজিদের জায়গায় রামমন্দির নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালে সেখানে মন্দির নির্মাণ করে সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

"বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখার সময় আমি কেঁদে দেই। এর মাধ্যমে আমি বুঝতে পারি ভারতের সামনে তার ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য দীর্ঘ লড়াই সামনে রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অযোধ্যা, উত্তর প্রদেশ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোনিয়া গান্ধী, প্রদীপ ভাণ্ডারি, নরেন্দ্র মোদি, মহাত্মা গান্ধী, জওহরলাল নেহরু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৯২ (বাবরি মসজিদ ভাঙা), ৬ ডিসেম্বর (ভাঙার তারিখ), ২০২৪ (রামমন্দির নির্মাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖