📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাটোরের গুরুদাসপুরে অবৈধ ইটভাটার দূষণে বিপদগ্রস্ত পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য

নাটোরের গুরুদাসপুরে অবৈধ ইটভাটার দূষণে বিপদগ্রস্ত পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে ১১টি ইটভাটার মধ্যে ৯টি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ, স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও কৃষিজমির ক্ষতি সৃষ্টি করছে এসব ইটভাটা। স্থানীয়রা দাবি, জরিমানা সত্ত্বেও কার্যক্রম বন্ধ হয়নি

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার কারণে পরিবেশ দূষণ, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। উপজেলার ১১টি ইটভাটার মধ্যে মাত্র ২টি বৈধ লাইসেন্সধারী, বাকি ৯টি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এসব ইটভাটার ধোঁয়া, ভারী পরিবহন এবং অবৈধ মাটি উত্তোলনের কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক এবং শিক্ষার্থীরা বিপদে পড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১১টি ইটভাটার মধ্যে ৯টি অবৈধ — পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে।
  • 📌 ৯টি ইটভাটা ২৮ লাখ টাকা জরিমানা পেলেও কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
  • 📌 ১২০ হেক্টর তিন ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত — পুকুর খননের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত।
  • 📌 ১০০ টন ধান উৎপাদন কমেছে — অবৈধ ইটভাটার কারণে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে।
  • 📌 আবাসিক এলাকায় ৫টি ইটভাটা — স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিকটে অবস্থিত।

📰 বিস্তারিত

গুরুদাসপুর উপজেলার আবাসিক ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবৈধ ইটভাটার কারণে পরিবেশ দূষণ এবং জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ইটভাটার ধোঁয়া শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করছে। কৃষকরা দাবি করেছেন, ইট তৈরির জন্য তিন ফসলি কৃষিজমির মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ফসলের উৎপাদনকে ব্যাহত করছে। পাশাপাশি, ভারী ট্রাক্টর-ট্রলির কারণে গ্রামীণ পাকা সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর পুকুর খননের কারণে উপজেলায় প্রায় ১২০ হেক্টর তিন ফসলি জমির পরিমাণ কমেছে। এসব জমিতে ধান, পাট, গম ও সরিষা সহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ হতো। এর ফলে ধানের উৎপাদন প্রায় ১০০ টন কমেছে। স্থানীয়রা জানান, ইটভাটার মালিকদের কেউ কেউ প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেখাতে পারেননি।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর বিধান অনুযায়ী, কৃষিজমি, বনভূমি বা আবাসিক এলাকার আশপাশে ইটভাটা স্থাপন নিষিদ্ধ। তবে স্থানীয়রা দাবি করেন, প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। সর্বশেষ ২০২৪ সালের শেষের দিকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে ৯টি অবৈধ ইটভাটাকে ২৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। কিন্তু জরিমানার পরও কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

"ইটভাটাগুলোর ভ্যাট, আয়কর, ট্রেড লাইসেন্স, কলকারখানা, বিএসটিআই ও ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স রয়েছে। তবে কোনো ইটভাটারই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই।"

উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ইটভাটাগুলো আইনি লাইসেন্সধারী হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে, মেসার্স আরআরবি ব্রিকসের মালিক রেজাউল হাসান রানা ও মেসার্স এমডিপি ব্রিকসের মালিক জাহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন, তারা নিয়ম মেনেই ইটভাটা পরিচালনা করছেন। তবে স্থানীয়রা এ দাবিকে অস্বীকার করেছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুরুদাসপুর উপজেলা, নাটোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোশাররফ হোসেন (ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি), রেজাউল হাসান রানা, জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি ইটভাটা (মোট), ৯টি অবৈধ, ২৮ লাখ টাকা জরিমানা, ১২০ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত, ১০০ টন ধান উৎপাদন কমেছে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖