📌 মেঘালয় ক্রিকেট দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে হাইকোর্টের রায়ে প্রথম তিন ম্যাচের পুরো একাদশ বদল করা হয়েছে। রঞ্জি ট্রফির চতুর্থ ম্যাচে পুরো নতুন একাদশ নিয়ে মাঠে নামেছে দলটি, যা ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
মেঘালয় ক্রিকেট দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে রঞ্জি ট্রফির চতুর্থ ম্যাচে পুরো একাদশ বদল করা হয়েছে। ভারতের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট প্রতিযোগিতা রঞ্জি ট্রফির ২০২৬-২৭ মৌসুমে এই অদ্ভুত ঘটনার জন্ম দিয়েছে। প্রথম তিন ম্যাচে অপরাজিত থাকার পর মেঘালয় দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে পুরো একাদশ বদল করা হয়েছে, যা ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেঘালয় ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এমসিএ) সভাপতি জেমস পিকে সাংমার সঙ্গে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যদের বিরোধের কারণে পুরো একাদশ বদল করা হয়েছে
- 📌 হাইকোর্টের রায়ে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের নির্বাচিত দলকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করা হয়, ফলে নতুন একাদশ মাঠে নামেছে
- 📌 প্রথম তিন ম্যাচে অপরাজিত থাকার পর ২ নভেম্বর নাগাল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন একাদশ নিয়ে মাঠে নামেছে মেঘালয়
- 📌 নতুন একাদশে ১১ জন নতুন খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে জীবনজ্যোৎ সিং অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত
- 📌 এই ঘটনাটি ১৮৮৪-৮৫ মৌসুমের অ্যাশেজের মতোই বিরল, যেখানে অস্ট্রেলিয়া পুরো একাদশ বদল করতে বাধ্য হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
রঞ্জি ট্রফির ২০২৬-২৭ মৌসুমে মেঘালয় দল প্রথম তিন ম্যাচে অপরাজিত ছিল। সিকিম ও মিজোরামের বিপক্ষে ড্র এবং মণিপুরের বিপক্ষে জয়লাভ করে দলটি। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে চতুর্থ ম্যাচে পুরো একাদশ বদল করা হয়েছে। মেঘালয় হাইকোর্টের রায়ে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের নির্বাচিত দলকে ‘অবৈধ’ বলে ঘোষণা করা হয়। এরপর সভাপতি জেমস পিকে সাংমার পক্ষ থেকে নতুন একাদশ মাঠে নামানো হয়।
২ নভেম্বর নাগাল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের সময় অ্যাপেক্স কাউন্সিলের নির্বাচিত আগের দলের খেলোয়াড়েরা মাঠের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাদের জায়গায় সাংমার পক্ষ থেকে নির্বাচিত নতুন ক্রিকেটাররা মাঠে নামেন। শুধু পুরুষ দল নয়, অনূর্ধ্ব-২৩ পুরুষ ও নারী দলের ক্ষেত্রেও অ্যাপেক্স কাউন্সিলের নির্বাচিত দলগুলো পরিবর্তন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেমস সাংমা বলেছেন, ‘খেলোয়াড় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচক কমিটি। আমি এতে হস্তক্ষেপ করব না। আমাদের এমন খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা খেলাটিকে ভালোবাসেন এবং এটিকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবেও দেখেন। তাঁদের এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক।’
কোচ নীতেশ শর্মা বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘খেলোয়াড়েরা ভীষণ হতাশ। তবে আমরা কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইনি। আমাদের অবৈধ বলা হচ্ছে, কিন্তু এটি প্রশাসনের ব্যর্থতা, ছেলেদের কোনো দোষ নেই।’
১৮৮৪-৮৫ মৌসুমের অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্টে খেলা পুরো একাদশ দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে অস্বীকৃতি জানায়। অর্থসংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই ঘটনা ঘটে। ফলে দ্বিতীয় টেস্টে নতুন ১১ জনকে খেলাতে বাধ্য হয় অস্ট্রেলিয়া, যার মধ্যে ৯ জনেরই ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক।
"খেলোয়াড় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচক কমিটি। আমি এতে হস্তক্ষেপ করব না। আমাদের এমন খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা খেলাটিকে ভালোবাসেন এবং এটিকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবেও দেখেন। তাঁদের এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, এটা দুর্ভাগ্যজনক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেঘালয় (ভারত), নাগাল্যান্ড (ভারত), মণিপুর (ভারত), সিকিম (ভারত), মিজোরাম (ভারত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেমস পিকে সাংমা (সভাপতি), নীতেশ শর্মা (কোচ), জীবনজ্যোৎ সিং (অধিনায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ ম্যাচ (অপরাজিত), ১১ জন (নতুন একাদশ), ৯ জন (অস্ট্রেলিয়ার নতুন খেলোয়াড়), ২০২৬-২৭ (মৌসুম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!