📌 ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে আইটি ও সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর দর বৃদ্ধির কারণে। তবে লেনদেনের পরিমাণ পূর্ববর্তী দিনের তুলনায় কমেছে প্রায় ১০ কোটি টাকা
ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রায় অর্ধেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমলেও প্রধান সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে আইটি ও সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর ইতিবাচক প্রভাবের কারণে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স পূর্ববর্তী দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে
- 📌 আইটি খাতের ৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি এবং সিমেন্ট খাতের সবগুলো অর্থাৎ ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে
- 📌 ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭২০ কোটি ৯২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা কম
- 📌 সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯ কোটি টাকা কম
📰 বিস্তারিত
গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে। ফলে সূচকের প্রাথমিক উত্থান ঘটে। শুরুতে ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে লেনদেনের শেষ দিকে ঢালাও দরপতন দেখা দেয়। এর মধ্যেও আইটি ও সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
দিন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে ১২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধির তালিকায় নাম লেখায়। বিপরীতে ১২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এছাড়া ৩৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাছাই করা ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ১৫টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ১০টির দাম কমেছে এবং পাঁচটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
লভ্যাংশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮০টির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে ১০১টির দাম কমেছে এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের লভ্যাংশ প্রদানকারী ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে ৪৫টির দাম কমেছে এবং ছয়টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
"দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় এক পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৪০ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ১৩৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।"
ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৭২০ কোটি ৯২ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৭৩১ কোটি ৭ লাখ টাকা। এই লেনদেনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪১ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের ৩৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে সায়হাম কটনের ৩৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকার লেনদেন।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৭৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৫টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে ৮৬টির দাম কমেছে এবং ২২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১৪ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৯ কোটি টাকা কম।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম
- 👥 প্রধান সূচক: ডিএসইএক্স, ডিএসই-৩০, ডিএসই শরিয়াহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ পয়েন্ট, ১২৭ প্রতিষ্ঠান, ৭২০ কোটি ৯২ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!