📌 পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে দুই শতাধিক পরিবার দশ বছর ধরে স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সেখানে ডেঙ্গুসহ নানা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়রা ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে দুই শতাধিক পরিবার দশ বছর ধরে স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানা দেয়াল ও বেড়িবাঁধের মাঝখানে অবস্থিত মধুপাড়া ও চরনিশানবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাদের বাড়িঘর ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে সেখানে ডেঙ্গুসহ নানা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে দুই শতাধিক পরিবার দশ বছর ধরে স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার
- 📌 বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরের পানি পাইপ দিয়ে মানুষের জমিতে ফেলা হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ
- 📌 ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় মধুপাড়া ও চরনিশানবাড়িয়া গ্রামের ৬০-৭০ একর কৃষিজমি চাষাবাদ অযোগ্য হয়ে পড়েছে
- 📌 স্থানীয়রা ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন; বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখছেন বলে দাবি করেছে
📰 বিস্তারিত
কলাপাড়ার মধুপাড়া ও চরনিশানবাড়িয়া গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার দশ বছর ধরে স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানা দেয়াল ও বেড়িবাঁধের মাঝখানে অবস্থিত এসব গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাদের বাড়িঘর ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় মিলন তালুকদার জানান, তাদের অন্তত ৫০টি পরিবারের জমিজমা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অধিগ্রহণ করা হলেও ক্ষতিপূরণের টাকা এখনো পুরোপুরি পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিতভাবে তাদের জমির ড্রেনেজ খাল ভরাট করে দিয়েছে এবং পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা করেনি। ফলে গ্রামের মাঝখানে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে থাকায় মানুষ চলাচল করতে পারছে না। মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গুসহ নানা রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে, তারা বিষয়টি দেখছেন এবং মশক নিধন স্প্রে করেছেন। তবে স্থানীয়রা এসব অস্বীকার করে জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরের পানি তাদের জমিতে ফেলা হচ্ছে। অলিউর রহমান নিপু নামে এক বাসিন্দা বলেন, ‘বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আমাদের জমির ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে আমাদের জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’
"বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনার কারণে আমরা দশ বছর ধরে জলাবদ্ধতার শিকার। আমাদের জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।" — মিলন তালুকদার, স্থানীয় বাসিন্দা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলাপাড়া, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিলন তালুকদার, অলিউর রহমান নিপু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ পরিবার, ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট, ১০ বছর, ৫০ পরিবার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!