📌 বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আইপিওর প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ চালু করেছে। নতুন বিধিমালায় সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি মালিকানাধীন সাত ধরনের কোম্পানিকে এই সুবিধা দেওয়া হবে। বিধিমালাটি জনমত যাচাইয়ের জন্য শিগগির প্রকাশ করা হবে।
বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে নতুন নিয়ম চালু করতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর পরিবর্তে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেওয়া হবে সাত ধরনের কোম্পানিকে। মঙ্গলবার বিএসইসির কমিশন সভায় নতুন বিধিমালার খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএসইসির নতুন বিধিমালায় আইপিও ছাড়াই সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেওয়া হবে সাত ধরনের কোম্পানিকে
- 📌 বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে
- 📌 সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের ন্যূনতম ১০ থেকে ২০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়তে হবে
- 📌 সরকারের শতভাগ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানি, বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি ও নির্দিষ্ট শর্তপূরণকারী ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান সরাসরি তালিকাভুক্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে
- 📌 বিধিমালাটি জনমত যাচাইয়ের জন্য বিএসইসির ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে
📰 বিস্তারিত
শেয়ারবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির নতুন বিধান চালু করতে যাচ্ছে বিএসইসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির কমিশন সভায় মঙ্গলবার নতুন বিধিমালার খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। বিএসইসি জানিয়েছে, বিধিমালাটি চূড়ান্ত হলে সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো আইপিওর পরিবর্তে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ পাবে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের ন্যূনতম ১০ থেকে ২০ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়তে হবে। সরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে শতভাগ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সরাসরি তালিকাভুক্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। এছাড়া বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিও সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ পাবে।
বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে পরিশোধিত মূলধন হতে হবে কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে কমপক্ষে তিন বছরের কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া যেসব কোম্পানির সম্পদ বা লেনদেনের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকার বেশি, তারাও সরাসরি তালিকাভুক্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
"সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কোম্পানিগুলো আইপিওর প্রয়োজন ছাড়াই তালিকাভুক্ত হতে পারবে। এ পদ্ধতিতে শেয়ারের দাম নির্ধারণ করা হবে কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়নের ভিত্তিতে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিএসইসি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ থেকে ২০ শতাংশ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ কোটি টাকা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!