📌 বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত দুটি কোম্পানি ওয়েব কোটস ও কৃষিবিদ সিডের ১৭ কোটি টাকার অর্থের অপব্যবহারের তদন্ত শুরু করেছে। কোম্পানি দুটি মিলে ১৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে, কিন্তু অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে সন্দেহের কারণে তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুটি এসএমই কোম্পানির অর্থের অপব্যবহারের তদন্ত শুরু করেছে। কোম্পানি দুটি হলো ওয়েব কোটস ও কৃষিবিদ সিড। এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত এই কোম্পানি দুটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৭ কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করে, কিন্তু অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে সন্দেহের কারণে বিএসইসি তদন্তের উদ্যোগ নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএসইসি তদন্ত শুরু করেছে ওয়েব কোটস ও কৃষিবিদ সিডের ১৭ কোটি টাকার অর্থের অপব্যবহারের বিষয়ে।
- 📌 কৃষিবিদ সিড ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ও ওয়েব কোটস ৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
- 📌 তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন মওদুদ মোমেন, মোহাম্মদ রুমান হোসেন, মো. সিরাজুল ইসলাম ও ফারহানা ওয়ালেজা।
- 📌 তদন্তের উদ্দেশ্য: অর্থের যথাযথ ব্যবহার যাচাই, ব্যাংক হিসাব পরীক্ষা ও অনিয়মের কারণ খুঁজে বের করা।
- 📌 কৃষিবিদ সিড ২০২২ সালে ও ওয়েব কোটস ২০২৪ সালে এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্ত হয়।
📰 বিস্তারিত
বিএসইসি সূত্রে জানা যায়, কৃষিবিদ সিড ও ওয়েব কোটস কিউআইও পদ্ধতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানি দুটি মিলে ১৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করে। এর মধ্যে কৃষিবিদ সিড সংগ্রহ করে ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ওয়েব কোটস সংগ্রহ করে ৫ কোটি টাকা। কোম্পানি দুটি ব্যবসা সম্প্রসারণ, ঋণ পরিশোধ, যন্ত্রপাতি ক্রয় ও চলতি মূলধনের জন্য অর্থ ব্যবহার করার কথা জানিয়েছিল। তবে কিউআইওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে সন্দেহের কারণে বিএসইসি তদন্তের উদ্যোগ নেয়।
২ নভেম্বর দুটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কৃষিবিদ সিডের তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন উপপরিচালক মওদুদ মোমেন ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রুমান হোসেন। অন্যদিকে ওয়েব কোটসের তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন যুগ্ম পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক ফারহানা ওয়ালেজা। বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, কিউআইওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ যে উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেই খাতে ব্যবহার হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি কোম্পানির দাখিল করা আর্থিক বিবরণী পরীক্ষা করে অর্থ ব্যয়ের বিপরীতে যেসব প্রকল্প পরিচালনা করা হয়েছে, তা সরেজমিনে যাচাই করতে হবে।
তদন্ত দলকে বলা হয়েছে, অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে তার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ভূমিকা স্পষ্টভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। পাশাপাশি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম ঘটে থাকলে সিকিউরিটিজ আইন, বিধি বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে এবং কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, কোম্পানি সচিব, নিরীক্ষক বা অন্য কোনো ব্যক্তির ভূমিকা কী, তা সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে হবে।
"কিউআইওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ যে উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই খাতে ব্যবহার হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানির দাখিল করা আর্থিক বিবরণী পরীক্ষা করে অর্থ ব্যয়ের বিপরীতে যেসব প্রকল্প পরিচালনা করা হয়েছে, তা সরেজমিনে যাচাই করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মওদুদ মোমেন, মোহাম্মদ রুমান হোসেন, মো. সিরাজুল ইসলাম, ফারহানা ওয়ালেজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ কোটি টাকা, ১৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা, ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা, ৫ কোটি টাকা, ২ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!