📌 যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান পেটেন্ট পেয়েছেন তাদের উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার। এই সার ব্যবহারে কৃষি খরচ কমবে ৮২ শতাংশ এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির বিকাশ ঘটবে
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) এর অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘ অপেক্ষার পর তাদের উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট অনুমোদন পেয়েছেন। রোববার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিস থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদন লাভ করেন তিনি। এই উদ্ভাবন কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যবিপ্রবির অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান পেটেন্ট পেয়েছেন তাদের উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার
- 📌 এক বিঘা জমিতে ন্যানো ইউরিয়া ব্যবহারে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা, যেখানে বর্তমান খরচ প্রায় ৪ হাজার ২০০ টাকা
- 📌 প্রচলিত ইউরিয়া সারের তুলনায় ন্যানো ইউরিয়া ব্যবহারে খরচ কমবে প্রায় ৮২ শতাংশ
- 📌 ন্যানো ইউরিয়া কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে সারের ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি, সারের অপচয় হ্রাস এবং পরিবেশের ওপর চাপ কমাবে
- 📌 অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেছেন, ‘দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর আজ পেটেন্টের অনুমোদন পেয়েছি। এ অর্জনের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে’
📰 বিস্তারিত
অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান ২০১৩ সাল থেকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব গবেষণাগার পরিচালনা করছেন। তিনি প্রতিষ্ঠিত ন্যানো-বায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড মেটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং (ন্যাম) ল্যাবে ন্যানোটেকনোলজি ও উন্নত উপকরণ নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করছেন। ২০২৫ সালে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো নির্বাচিত হন।
গবেষকের দাবি, এক বিঘা জমি চাষ করতে খরচ হবে মাত্র ২৩০ টাকা। যেখানে বর্তমানে ভর্তুকিসহ ইউরিয়া সারের খরচ প্রায় ৪ হাজার ২০০ টাকা। সে হিসেবে প্রচলিত সারের চেয়ে ন্যানো ইউরিয়া ব্যবহারে খরচ কমবে প্রায় ৮২ শতাংশ। দীর্ঘ গবেষণার পর মাঠ পর্যায়ে এ সার ব্যবহারেও সাফল্য লাভ করা হয়েছে।
অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান বলেন, ‘দেশের মাটি, দেশের কৃষি এবং কৃষকের স্বার্থকে সামনে রেখেই আমরা কাজ করছি। ন্যানো ইউরিয়া কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি, সারের অপচয় হ্রাস, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং ফসলের ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশের ওপর সারের অতিরিক্ত ব্যবহারের চাপ কমাতেও এটি ভূমিকা রাখবে।’
"দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর আজ পেটেন্টের অনুমোদন পেয়েছি। এ অর্জনের পেছনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর আন্তরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩০ টাকা (ন্যানো ইউরিয়া খরচ), ৪২০০ টাকা (প্রচলিত ইউরিয়া খরচ), ৮২ শতাংশ (খরচ কমে যাওয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!