📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক মুহূর্ত ‘উই রিভোল্ট’: জিয়াউর রহমানের ডায়েরি থেকে পাঠ্যবইয়ে নতুন প্রবেশ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক মুহূর্ত ‘উই রিভোল্ট’: জিয়াউর রহমানের ডায়েরি থেকে পাঠ্যবইয়ে নতুন প্রবেশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় শিক্ষাক্রম বোর্ডের নতুন পাঠ্যবইতে জিয়াউর রহমানের ডায়েরি থেকে ‘উই রিভোল্ট’-এর ঐতিহাসিক ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পড়বে এই প্রবন্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ও ‘২৫ মার্চের রাতের সিদ্ধান্ত’ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নতুন পাঠ্যবইতে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরি থেকে ‘উই রিভোল্ট’-এর ঘটনাবলি তুলে ধরেছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক প্রবন্ধ পড়বে, যেখানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিজস্ব লেখায় ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত ঘটনাবলির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই থেকে পাবেন জিয়াউর রহমানের ডায়েরি থেকে ‘উই রিভোল্ট’-এর ঐতিহাসিক ঘটনা।
  • 📌 চট্টগ্রামের ষোলশহরে ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতা বাড়ার পর জিয়াউর রহমান ২২০ জন সৈনিকের নিয়ে প্রতিরোধের প্রস্তুতি শুরু করেন।
  • 📌 ২৫ মার্চের রাত ১১টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনীর ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়ে জিয়াউর রহমান ঘোষণা দেন ‘উই রিভোল্ট’।
  • 📌 ২৫ মার্চের রাত ২টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে স্বাধীনতাযুদ্ধের ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান।
  • 📌 পাঠ্যবইতে জিয়াউর রহমানের ডায়েরির একটি ছবিও যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে তিনি লিখেছেন: ‘তারা চাইছিল, আমাকে শেষ করে ফেলতে’।

📰 বিস্তারিত

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক প্রবন্ধে জিয়াউর রহমানের নিজস্ব ডায়েরি থেকে নেওয়া হয়েছে। এই প্রবন্ধে ১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত ঘটনাবলির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীর সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি, চট্টগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবস্থা, এবং জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিরোধের প্রস্তুতি — সবকিছুই এই প্রবন্ধে স্থান পেয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের মার্চের শুরুতে চট্টগ্রামের ষোলশহরে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদর দপ্তরে অষ্টম ব্যাটালিয়ন গঠনের কাজ চলছিল। ব্যাটালিয়নের মাত্র ২২০ জন সৈনিক ছিল, যার মধ্যে অস্ত্র হিসেবে ছিল কয়েকশ রাইফেল, চারটি হালকা মেশিনগান, দুটি মর্টার এবং সামান্য গোলাবারুদ। জিয়াউর রহমান তখন ব্যাটালিয়নের দ্বিতীয় কমান্ডিং অফিসার (উপ-অধিনায়ক)। তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতা দেখে আসন্ন বিপদের আঁচ পেয়েছিলেন।

২১ মার্চ পাকিস্তানের জেনারেল হামিদ চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে আসেন। এরপর ২৪ মার্চ পাকিস্তানি সৈন্যরা ‘সোয়াত’ জাহাজের অস্ত্র খালাস করতে বন্দরে যাওয়ার পথে জনতার বাধার মুখে পড়েন। এই ঘটনায় খণ্ডযুদ্ধে প্রাণহানি ঘটে। ২৫ মার্চের রাত ১১টার দিকে জিয়াউর রহমানকে চট্টগ্রাম বন্দরে জেনারেল আনসারীর কাছে রিপোর্ট করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়ে প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেন। রাত ২টা ১৫ মিনিটে তিনি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে ফিরে এসে স্বাধীনতাযুদ্ধের ঘোষণা দেন।

"তারা চাইছিল, আমাকে শেষ করে ফেলতে। তাই সেই রাতেই তারা ষড়যন্ত্র এঁটে রেখেছিল। যে সময়ের জন্য এত দিন অপেক্ষা করছিলাম, সে সময় এসে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলাম, উই রিভোল্ট।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের ষোলশহর, চট্টগ্রাম বন্দর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল জানজুয়া, জেনারেল আনসারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২০ জন সৈনিক, ২৫ মার্চের রাত ১১টা ও ২টা ১৫ মিনিট, ২১ মার্চ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖