📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কানাইঘাটের বড় হাওরে আবিষ্কৃত দুর্লভ বঘেরি: পাখি সংরক্ষক শামীমের স্মৃতিচারণ

কানাইঘাটের বড় হাওরে আবিষ্কৃত দুর্লভ বঘেরি: পাখি সংরক্ষক শামীমের স্মৃতিচারণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাখি সংরক্ষক শামীম খানের আমন্ত্রণে কানাইঘাটের বড় হাওরে গিয়ে দুর্লভ পরিযায়ী বঘেরি পাখির ছবি তুলেন একজন পাখি প্রেমী। ২০২২ সালে হারিয়ে যাওয়া এই দুর্লভ পাখির ছবি পুনরুদ্ধার করে তিনি। বঘেরি পাখির বৈজ্ঞানিক নাম *Emberiza melanocephala* এবং এর লম্বা ১৩.৫-১৬ সেমি, ওজন ১৩-২৭ গ্রাম

২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি সিলেটের কানাইঘাটের বড় হাওরে একটি দুর্লভ পরিযায়ী পাখির সন্ধান পেয়েছিলেন পাখি প্রেমী ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ আনাম আমিনুর রহমান। এই সন্ধানটি ছিলো ২০২২ সালে হারিয়ে যাওয়া একটি দুর্লভ পাখির ছবি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা। শামীম খানের আমন্ত্রণে গিয়ে তিনি এই দুর্লভ বঘেরি পাখির ছবি তুলতে সক্ষম হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি** কানাইঘাটের বড় হাওরে দুর্লভ বঘেরি পাখির ছবি তুলতে সক্ষম হন আনাম আমিনুর রহমান।
  • 📌 **২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ও ২৫ নভেম্বর** টাঙ্গুয়ার হাওর ও কুরমা চা-বাগানে এই পাখির ছবি তুলেছিলেন তিনি, কিন্তু হার্ডড্রাইভ নষ্ট হয়ে গেলে ছবিগুলো হারিয়ে যায়।
  • 📌 **১৪ কিলোমিটার হাওর-বিলে হেঁটে** বৃষ্টির কারণে সারা দিন বঘেরি পাখির সন্ধান পাননি তিনি, কিন্তু শেষ মুহূর্তে একটি সেতুর কাছে পাখিটিকে ধরা পড়ে।
  • 📌 **বঘেরি পাখির বৈজ্ঞানিক নাম** *Emberiza melanocephala* এবং এর লম্বা **১৩.৫-১৬ সেন্টিমিটার**, ওজন **১৩-২৭ গ্রাম**।
  • 📌 **শীতকালে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে** এই পাখির দেখা পাওয়া যায়।
  • 📌 **মে-জুন মাসে** বঘেরি পাখির প্রজননকাল। সাইবেরিয়া ও চীনের উত্তরাঞ্চলে বাসা বানিয়ে ডিম পাড়ে।

📰 বিস্তারিত

২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরের চটাইন্না খালপাড়ে এবং ২৫ নভেম্বর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কুরমা চা-বাগানের একচিলতে পক্ষী অভয়াশ্রমে আনাম আমিনুর রহমান দুর্লভ বঘেরি পাখির ছবি তুলেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে হার্ডড্রাইভ নষ্ট হয়ে গেলে ছবিগুলো হারিয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি বারবার টাঙ্গুয়ার হাওর ও কুরমায় গিয়ে পাখির সন্ধান করলেও দেখা পাননি।

২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি শামীম খানের আমন্ত্রণে কানাইঘাটের বড় হাওরে গিয়ে তিনি পাখির সন্ধান পান। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ এবং বৃষ্টির কারণে পাখির সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার হাওর-বিলে হেঁটেও বঘেরির সন্ধান পাননি তিনি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে, যখন তিনি বড় হাওর থেকে বেরিয়ে পাকা রাস্তায় পা রাখছিলেন, তখনই একটি সেতুর কাছে বিদ্যুতের তারের ওপর কালচে মুখের পাখিটি বসে থাকতে দেখলেন। দ্রুত ক্যামেরায় ধরা পড়ে এই দুর্লভ পাখির ছবি।

শামীম খান এই পাখির সন্ধান পাওয়ার আগে তাকে হতাশ করাননি। তার কারণে তিন প্রজাতির পাখির ছবি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন আনাম। বঘেরি পাখির বৈজ্ঞানিক নাম *Emberiza melanocephala* এবং এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো লম্বা ১৩.৫-১৬ সেন্টিমিটার এবং ওজন ১৩-২৭ গ্রাম। পাখিটি দেখতে অনেকটা চড়ুইয়ের মতো। পুরুষ ও স্ত্রী পাখির পালকের রঙে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। শীতকালে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে এই পাখির দেখা পাওয়া যায়।

"২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ও ২৫ নভেম্বর টাঙ্গুয়ার হাওর ও কুরমা চা-বাগানে এই পাখির ছবি তুলেছিলাম, কিন্তু হার্ডড্রাইভ নষ্ট হয়ে গেলে ছবিগুলো হারিয়ে গেল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কানাইঘাটের বড় হাওর, সিলেট; টাঙ্গুয়ার হাওর, চটাইন্না খালপাড়; কুরমা চা-বাগান, মৌলভীবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনাম আমিনুর রহমান, শামীম খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩.৫-১৬ সেমি (লম্বা), ১৩-২৭ গ্রাম (ওজন), ৪-৫টি (ডিম), ১২-১৪ দিন (ডিম ফোটার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖