📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রযুক্তির প্রভাবে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে, মানসিক বিকাশে শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছে

প্রযুক্তির প্রভাবে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে, মানসিক বিকাশে শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান বলেছেন, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আধুনিক শিশুদের মনোযোগ ধারণ ক্ষমতা মাত্র ৯ থেকে ১৫ মিনিটে নেমে এসেছে, যা আগে ছিল ৩০ মিনিট

প্রথম আলো ট্রাস্ট আয়োজিত বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভায় শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব এবং তাদের সার্বিক বিকাশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। ৩০ আগস্ট ২০২৬ সালে প্রথম আলোর কারওয়ান বাজার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১৮১ তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান 'শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের ভূমিকা' বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আধুনিক যুগের প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশে শিশু-কিশোরদের মনোযোগ ধারণ ক্ষমতা পূর্বের ৩০ মিনিট থেকে হ্রাস পেয়ে বর্তমানে ৯ থেকে ১৫ মিনিটে নেমে এসেছে।
  • 📌 অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে শিশুরা খেলাধুলা, শারীরিক চর্চা, গান, আবৃত্তি এবং বই পড়ার মতো কার্যক্রম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
  • 📌 শিশুর দৈহিক বিকাশের পাশাপাশি মানসিক ও আবেগীয় বিকাশও সমান্তরালভাবে ঘটে, যা বর্তমানে প্রভাবিত হচ্ছে প্রযুক্তির জোয়ারে।
  • 📌 বাংলাদেশের প্রান্তিক অঞ্চলের শিশুও এখন মুহূর্তের মধ্যে উন্নত দেশের শিশুদের জীবনযাত্রার সাথে নিজেদের তুলনা করতে পারছে।

📰 বিস্তারিত

ডা. ফারজানা রহমান ব্যাখ্যা করেন যে শিশু-কিশোরদের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য হিসেবে তারা সর্বদা আবেগপ্রবণ, অনুভূতিপ্রবণ, অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং অনুকরণপ্রিয়—এই গুণাবলী আগের সময়ের মতোই এখনো বিদ্যমান রয়েছে। তবে মূল পার্থক্য এসেছে তাদের চারপাশের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ এবং প্রযুক্তির ব্যাপক প্রভাবে।

প্রযুক্তি এখন হাতের মুঠোয় চলে আসায় দক্ষিণ এশিয়া বা বাংলাদেশের একটি প্রান্তিক এলাকার শিশুও অবিলম্বে বৈশ্বিক মানের জীবনধারার সাথে নিজেদের তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছে। এই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার শিশুদের মনোযোগ ধারণ করার ক্ষমতা—যা মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ—কে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের ফলে শিশুরা খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম যেমন গান, আবৃত্তি ও বই পড়া থেকে ক্রমাগত দূরে সরে যাচ্ছে। এর ফলে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক এবং মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে একটি উল্লেখযোগ্য শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।

"শিশুর মনস্তত্ত্ব বুঝতে হলে প্রথমেই জানতে হবে যে শিশু-কিশোরদের দৈহিক বিকাশের পাশাপাশি তাদের মানসিক ও আবেগীয় বিকাশও সমান্তরালভাবে ঘটে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: প্রথম আলো কার্যালয়, কারওয়ান বাজার, ঢাকা
  • 👥 প্রধান ব্যক্তিত্ব: অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮১ তম অনলাইন সহায়তা সভা; মনোযোগ ক্ষমতা ৩০ মিনিট থেকে ৯-১৫ মিনিটে হ্রাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖