📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের বন্যায় কীভাবে টিকে যায় সবুজ বহুতল ভবন? বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের রহস্য উন্মোচিত

নেপালের বন্যায় কীভাবে টিকে যায় সবুজ বহুতল ভবন? বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের রহস্য উন্মোচিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিশূলী শহরে বন্যায় ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৯ মিটার উঠলে সবুজ রঙের একটি বহুতল ভবন টিকে যায়। বিজ্ঞানী অ্যাড্রিয়ান ম্যাককালামের বিশ্লেষণে জানা যায়, প্রকৌশলগত কাঠামো ও প্রাকৃতিক ঢালের কারণে ভবনটি ধ্বংস থেকে বেঁচে যায়

নেপালের সাম্প্রতিক বন্যায় হিমালয়ের গ্লেসিয়ার ভাঙা পড়ার ফলে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী স্রোতের মুখোমুখি হলো নুওয়াকোট জেলার ত্রিশূলী শহর। ৩০ মিনিটের মধ্যে নদীর পানি ৯ মিটার উঠলে শহরের অধিকাংশ স্থাপনা ধ্বংস হলেও, সবুজ রঙের একটি বহুতল ভবন অদ্ভুতভাবে টিকে যায়। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের দৃষ্টিতে এই ভবনের টিকে থাকার পিছনে রয়েছে কতকগুলি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপালের ত্রিশূলী শহরে ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৯ মিটার উঠলে সবুজ বহুতল ভবন টিকে যায়, অন্য সব স্থাপনা ধ্বংস হয়
  • 📌 গ্লেসিয়ার ভাঙা পড়ার কারণে সৃষ্ট তীব্র স্রোতের মুখোমুখি হয় শহর, নদীর তীরে অবস্থিত ভবনটি টিকে থাকে
  • 📌 অস্ট্রেলিয়ার প্রকৌশলবিদ অ্যাড্রিয়ান ম্যাককালাম বলেন, ভবনটির ভিত্তি শক্ত পাথরের ওপর স্থাপন করা ও উচ্চ ভিত্তি কাঠামো স্রোতের আঘাত সহ্য করতে সাহায্য করে
  • 📌 প্রাকৃতিক ঢালের কারণে নদীর প্রধান স্রোত ভবনটির ওপর সরাসরি আঘাত করেনি, পানি দুই পাশে ভাগ হয়ে যায়
  • 📌 রিইনফোর্সড কংক্রিট ও স্টিলের সমন্বয়ে নির্মিত ভবনটির কাঠামো সমানভাবে চাপ গ্রহণ করে, পুরো কাঠামোকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করে

📰 বিস্তারিত

নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিশূলী শহরে বন্যায় নদীর পানি ৯ মিটার উঠলে শহরের অধিকাংশ ঘরবাড়ি ও সেতু মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যায়। তবে নদীর তীরে অবস্থিত সবুজ রঙের একটি বহুতল ভবন অদ্ভুতভাবে টিকে থাকে। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের দৃষ্টিতে এই ভবনের টিকে থাকার পিছনে রয়েছে কতকগুলি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিশূলী শহরে হিমালয়ের একটি গ্লেসিয়ার ভাঙা পড়ার ফলে নদীতে আছড়ে পড়ে। এর ফলে বরফ শিলা ও কাদামাটির এক প্রলয়ংকরী স্রোত সৃষ্টি হয়। এই স্রোতের মুখোমুখি হয় শহরের অধিকাংশ স্থাপনা। তবে নদীর তীরে অবস্থিত সবুজ রঙের বহুতল ভবনটি টিকে থাকে। বিজ্ঞানী অ্যাড্রিয়ান ম্যাককালামের বিশ্লেষণে জানা যায়, ভবনটির ভিত্তি শক্ত পাথরের ওপর স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ভবনটির উচ্চ ভিত্তি বা ফ্লোটিং মেকানিজমের কারণে পানি সহজে নিচ দিয়ে বয়ে যায়। ফলে মূল কাঠামোর ওপর চাপ কম পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রকৌশলবিদ অ্যাড্রিয়ান ম্যাককালাম বলেন, ভবনটির ঠিক উজানে একটি ছোট উঁচু ভূখণ্ড বা হেডল্যান্ড ছিল। এই প্রাকৃতিক ঢাল নদীর প্রধান স্রোতকে দুই পাশে ভাগ করে দেয়। ফলে বন্যার পানির মূল ধাক্কা সরাসরি ভবনটির ওপর আঘাত করেনি। এছাড়া ভবনটির আকৃতি এমন ছিল, যা পানির প্রবাহকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়। ফলে পানির ধাক্কা সরাসরি সামনে না লেগে দুই পাশ দিয়ে চলে যায়।

"কংক্রিট ও রিইনফোর্সড স্টিল দিয়ে তৈরি ভবনটির ভিত্তি শক্ত পাথরের ওপর স্থাপন করায় তীব্র স্রোতের আঘাত সহ্য করতে পেরেছে। পানিপ্রবাহের গতিপ্রকৃতি ও উচ্চ ভিত্তি কাঠামো ভবনটিকে রক্ষা করেছে।"

বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, ভবনটির নির্মাণে উচ্চমানের সিমেন্ট ও রড ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া রিইনফোর্সড কংক্রিট ফ্রেম এবং স্টিলের সমন্বয়ে কাঠামো তৈরি হওয়ার ফলে কলাম বিম ও ভিত্তি একটি অবিচ্ছিন্ন কঙ্কালের মতো কাজ করেছে। ফলে ভবনটির পুরো কাঠামো সমানভাবে চাপ গ্রহণ করে তা মাটিতে ছড়িয়ে দেয়। এছাড়া নদীর স্রোত ও ভাসমান পাথরের তীব্র আঘাত এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হতে না পারার কারণে ভবনটি টিকে থাকে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিশূলী শহর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাড্রিয়ান ম্যাককালাম (অস্ট্রেলিয়ার প্রকৌশলবিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ মিনিটে নদীর পানি ৯ মিটার উঠে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖