📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুরা মুলক পাঠের অসামান্য ফজিলত ও কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা: হাদিসে বর্ণিত মর্যাদা

সুরা মুলক পাঠের অসামান্য ফজিলত ও কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা: হাদিসে বর্ণিত মর্যাদা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুরা মুলক পবিত্র কোরআনের ৬৭তম সুরা, যার ৩০টি আয়াত। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এই সুরা কিয়ামতের দিন তার পাঠকারীর সুপারিশ করবে এবং কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতে সুরা মুলক পাঠের গুরুত্ব দিয়েছেন

সুরা মুলক পবিত্র কোরআনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুরা, যার পাঠের অসামান্য ফজিলত ও শিক্ষা রয়েছে। এই সুরা মানুষের জীবনে আল্লাহর কর্তৃত্ব, সৃষ্টির নিপুণতা এবং পরকালের প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, সুরা মুলক কিয়ামতের দিন তার পাঠকারীর সুপারিশ করবে এবং কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা প্রদান করবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুরা মুলক হলো পবিত্র কোরআনের ৬৭তম সুরা, যার ৩০টি আয়াত এবং ২টি রুকু। এটি কোরআনের ২৯তম পারার প্রথম সুরা।
  • 📌 হাদিসে বর্ণিত, সুরা মুলক কিয়ামতের দিন তার পাঠকারীর সুপারিশ করবে এবং কবরের আজাব থেকে রক্ষা করবে।
  • 📌 রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতে সুরা মুলক পাঠের গুরুত্ব দিয়েছেন এবং নিজেও নিয়মিত এ সুরা পাঠ করতেন।
  • 📌 সুরাটির শিক্ষা হলো আল্লাহর কর্তৃত্ব, সৃষ্টির নিপুণতা, জীবনের উদ্দেশ্য এবং পরকালের জবাবদিহির কথা স্মরণ করা।
  • 📌 সুরা মুলককে ‘আল-মানিআহ’ বা বাধা প্রদানকারী বলা হয়েছে, যা কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা দেয়।

📰 বিস্তারিত

সুরা মুলক পবিত্র কোরআনের ৬৭তম সুরা, যার নামকরণ হয়েছে ‘মুলক’ শব্দ থেকে, যার অর্থ রাজত্ব বা কর্তৃত্ব। এই সুরায় আল্লাহর অসীম ক্ষমতা, সৃষ্টিজগতের নিপুণতা এবং জীবন-মৃত্যুর উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সুরাটি মানুষকে আল্লাহর আনুগত্য এবং পরকালের প্রস্তুতি গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে।

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, সুরা মুলক কিয়ামতের দিন তার পাঠকারীর সুপারিশ করবে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে বলা হয়েছে, ‘৩০ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করতে থাকবে, যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।’ এই সুরাটি হলো ‘তাবারাকাল্লাযি বিইয়াদিহিল মুলক’।

সুরা মুলকের অন্যতম ফজিলত হলো কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, সুরা মুলককে ‘আল-মানিআহ’ বা বাধা প্রদানকারী বলা হয়েছে, যা কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) কবরের আজাব থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতে সুরা মুলক পাঠের গুরুত্ব দিয়েছেন। হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) সুরা সাজদাহ ও সুরা মুলক পাঠ না করে ঘুমাতে যেতেন না। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, রাতে ঘুমানোর আগে সুরা মুলক পাঠের অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

"তোমরা কবরের আজাব থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর।" — সহিহ মুসলিম, ২৮৬৭ নম্বর হাদিস

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পবিত্র কোরআন (৬৭তম সুরা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাসুলুল্লাহ (সা.), হজরত আবু হুরায়রা (রা.), হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.), হজরত জাবের (রা.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭ (সুরা নম্বর), ৩০ (আয়াত সংখ্যা), ২৯ (পার নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖