📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, দেশের ২২ উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প চালু হবে, যেখানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুদের জন্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে। যাতায়াতের ক্ষেত্রে রেল ও মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ভাড়ায় ছাড় দেওয়া হবে
দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুদের জন্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকারকে সরকার দাতব্য কার্যক্রম হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প চালু হবে
- 📌 উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুদের জন্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে
- 📌 বাংলাদেশ রেলওয়ে ও মেট্রোরেলে ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে
- 📌 নতুন নির্মিতব্য রেলস্টেশনগুলোতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করা হবে
- 📌 বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ চলছে
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে সরকার শুধু দাতব্য কার্যক্রম হিসেবে নয়, সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি জানান, সাধারণ নাগরিকদের মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরাও যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভায় তিনি এ কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও মেট্রোরেলে ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন নির্মিতব্য সব রেলস্টেশনে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুধু র্যাম্প নির্মাণ নয়, টিকিট কেনা, বাহনে ওঠা এবং টয়লেট ব্যবহারের মতো পুরো ভ্রমণপ্রক্রিয়াই যেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য নির্বিঘ্ন ও সহজলভ্য হয়, সে বিষয়েও কাজ চলছে।
ড. মুহিত বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষায়িত স্কুলের পাশাপাশি মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিশেষায়িত স্কুলগুলোকে আরও সুসংগঠিত করা হচ্ছে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও শিক্ষার সুযোগ পায়। একই সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ বিদ্যালয়গুলোকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্নবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
"কোনো হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী শিশু যেন শুধু অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে সাধারণ বিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার, ব্রেইল পদ্ধতি এবং সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ (উপজেলা), ২৫ (শতাংশ), ৭৭ (ডেঙ্গু মৃত্যু), ৭৫০ (ডেঙ্গু আক্রান্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!