📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ওয়াসার গুলশান জমিতে প্রভাবশালী আবাসন প্রতিষ্ঠানের দখলদারির অভিযোগে টিআইবির তীব্র নিন্দা ও তদন্ত দাবি

ওয়াসার গুলশান জমিতে প্রভাবশালী আবাসন প্রতিষ্ঠানের দখলদারির অভিযোগে টিআইবির তীব্র নিন্দা ও তদন্ত দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টিআইবি অভিযোগ করেছে, ঢাকার গুলশানে ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রাজউক ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটি একে ‘যোগসাজশের দুর্নীতি’ উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিল ও তদন্তের দাবি জানিয়েছে

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) অভিযোগ করেছে, ঢাকার গুলশানে ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে আবাসন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটি একে ‘যোগসাজশের দুর্নীতি’ উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিল ও যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টিআইবি জানায়, ওয়াসার গুলশান জমিতে ব্যক্তিমালিকানাধীন আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব বিবেচনা করে আবাসন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে রাজউক ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ।
  • 📌 সংস্থাটি একে ‘জমি দখলবাজি-সহায়ক’ হিসেবে উল্লেখ করে নিয়মবহির্ভূত প্রক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
  • 📌 টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ওয়াসার সম্পদ জনগণের, তাই এর ব্যবহার স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত।
  • 📌 তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে একক প্রস্তাব বিবেচনা করে জমি হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আইন ও নীতির লঙ্ঘন।

📰 বিস্তারিত

টিআইবি জানিয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে গুলশানে ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে আবাসন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, রাজউক থেকে ইজারাপ্রাপ্ত জমি উন্নয়নের নামে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত ও অনৈতিক।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ওয়াসা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এর যেকোনো সম্পদের মালিকানা জনগণের। তিনি আরও বলেন, এ জাতীয় কর্মকাণ্ড স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া উচিত ছিল।

ইফতেখারুজ্জামান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে একক প্রস্তাব বিবেচনা করে জমি হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আইন ও নীতিকাঠামোর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা উচিত ছিল, কিন্তু তা না করে কমিটি গঠনসহ লোকদেখানো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভূমি দখলবাজি চক্রান্তের সঙ্গে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ জড়িত হয়েছে।

"রাজউক থেকে ইজারাপ্রাপ্ত জমি উন্নয়নের নামে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অথচ রাজউক এ ব্যাপারে অবগত নয়। এখানে মূলত স্বার্থান্বেষী মহলের কারসাজি ও বিশেষ গোষ্ঠীগত স্বার্থে এ জাতীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের সম্পত্তি এভাবে গোষ্ঠীস্বার্থ হাসিল ও মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হলে তা কোনো ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুলশান, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইফতেখারুজ্জামান (টিআইবির নির্বাহী পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪ কাঠা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖