📌 সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও ভৌগোলিক অবস্থান শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অনুপস্থিত থাকলে বেতন বিল স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে
সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বেতন বিল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও ভৌগোলিক অবস্থান শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে
- 📌 কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বেতন বিল স্থগিত থাকবে
- 📌 আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও ভৌগোলিক অবস্থান শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালু করতে হবে
- 📌 স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুশাসন বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আয়োজিত এই সভায় স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক হাজিরা ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালালউদ্দিন রুমি স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা নিশ্চিত করা হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনা তথ্যব্যবস্থার অধীনে তাৎক্ষণিক তথ্যভিত্তিক ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড স্থাপন করতে হবে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, বেতন ও ছুটির সঙ্গে হাজিরা যুক্ত সব কর্মীর উপস্থিতির তথ্য সরকারি বেতন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন, ছুটি ও পদোন্নতির সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনো স্বাস্থ্যকর্মী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তার অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বেতন বিল ছাড় করা যাবে না।
"স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের অধিকাংশ হাসপাতালে বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালু আছে, কিছু কিছু স্থানে নষ্ট অথবা প্র্যাকটিস করা হয় না। সেসব অতি দ্রুত ঠিক করে সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালালউদ্দিন রুমি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ দিন, ৩ সপ্তাহ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!